বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২৬

টেলিকমখাতে নতুন নীতিমালা নিয়ে উদ্বেগ বিএনপির

আপডেট:

টেলিকমখাতে নতুন নীতিমালা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিএনপি।এছাড়া খাতটির উন্নয়নে কিছু প্রস্তাবনাও তুলে ধরেছে দলটি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগ ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এসএমইদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।বড় কোম্পানির অবকাঠামো আধিপত্য: বড় মোবাইল কোম্পানিকে এন্টারপ্রাইজ ব্রডব্যান্ড বাজারে প্রবেশ করতে দিলে ছোট কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে এবং একচেটিয়া পরিবেশ তৈরি হবে, যা দেশের সার্বিক অর্থনীতির ওপরেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।নীতিমালায় বিদ্যমান অপারেটরদের সুবিধা: কিছু নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বড় কোম্পানির সুবিধা বজায় রাখা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতা নয় বরং আধিপত্য বাড়াবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তাছাড়া, খসড়া নীতিমালায় লাইসেন্স ফি, শর্তাবলি, কার্যকারিতা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই প্রকাশ করা হয়নি— যা স্বচ্ছতার অভাব নির্দেশ করে। আমরা সরকারকে আহ্বান জানাই, এসএমই, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গ্রাহক সংগঠনসহ সব পক্ষকে নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করার পর যেন এই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা চুড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে এই প্রস্তাবিত নীতিমালার একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ও সামাজিক পরিনামও বিশ্লেষণ করা হোক— বিশেষ করে এসএমই ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সম্ভাব্য ক্ষতি, কর্মসংস্থান হ্রাস এবং অর্থনীতির ওপর প্রভাব বিবেচনায় রেখে এটি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, ‘এই ধরনের জাতীয় পর্যায়ের টেলিকম নীতি প্রণয়নে অবশ্যই সতর্কতা, স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নিতে হবে। সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায়, তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। বিএনপি বিশ্বাস করে, সবার জন্য উপকার বয়ে আনে — এমন নীতিই গ্রহণযোগ্য। ডিজিটাল সংযুক্তির মাধ্যমে সমতাভিত্তিক উন্নয়ন এবং জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকারেই আমরা কাজ করে যাব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত