শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬

বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম এখন ইসরায়েলের কারাগারে

আপডেট:

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ গাজা অভিমুখী নৌবহর থেকে আটক অধিকারকর্মীদের একটি অংশকে ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে নেওয়া হয়েছে। ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন এবং ইসরায়েলে আরব সংখ্যালঘুদের অধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’-এর বরাত দিয়ে দৃক এই তথ্য জানিয়েছে।হিদুল আলম দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের নৃশংসতা বন্ধ এবং গাজায় ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙার প্রত্যয় নিয়ে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন গাজা অভিমুখে নৌযাত্রা শুরু করেছিল। ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে আত্মপ্রকাশ করা আরেক উদ্যোগ থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজার আটটি নৌযানও এই বহরে অংশ নিয়েছিল। মোট ৯টি নৌযানে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মীরা ছিলেন। ওই দলে ছিলেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।গতকালব ধবার নৌবহরে ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিককে আটক করে।দৃক এক বার্তায় জানিয়েছে, “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন এবং আদালাহ—দ্য লিগ্যাল সেন্টার ফর আরব মাইনরিটি রাইটস ইন ইসরায়েল—এর মাধ্যমে আমরা জেনেছি, শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহরের সকল সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও নাবিকদের আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জাহাজ দখলের পর থেকে তারা ইসরায়েলের দখলদার বাহিনীর দ্বারা নানা ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন।”কেৎজিয়েত কারাগার ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র এবং নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখানে আটক ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়।থউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা জানিয়েছে, ইসরায়েল বেআইনিভাবে ফ্লোটিলা থেকে ১৪৫ জনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে অনেককে কেৎজিয়েত কারাগারে নিপীড়নমূলক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সেখানে মারধর, অপদস্থ এবং জুলুমের ঘটনা ঘটেছে। আদালাহর আইনজীবীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আজকেই আটক ব্যক্তিদের মুক্তির বিষয়ে আদালতে শুনানি হতে পারে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের পূর্ণ আইনি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে।ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ডের কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য ইতিমধ্যে ইসরায়েল থেকে মুক্তি পেয়েছেন।র আগে গত সপ্তাহে গাজা অভিমুখী নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ৪২টি নৌযান থেকে ৪৭৯ জনকে আটক করা হয়েছিল, যার মধ্যে সুইডিশ অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। পরে তাদের অধিকাংশকে ধাপে ধাপে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত