মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সিটিটিসি ইউনিট পরিদর্শন

আপডেট:

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
​জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রভাবশালী দেশ ফ্রান্সের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের পুলিশের সন্ত্রাস দমন কার্যক্রম এবং বিশেষায়িত ইউনিটের সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেছেন। সম্প্রতি ফরাসি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (CTTC) ইউনিটের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন।সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ ও ভূয়সী প্রশংসাপরিদর্শনকালে ফরাসি রাষ্ট্রদূত এবং নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সিটিটিসি-র বিভিন্ন বিশেষায়িত শাখা যেমন— সোয়াট (SWAT), বোম ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড এবং ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ঘুরে দেখেন। উগ্রবাদ দমন এবং সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।​প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সিটিটিসি-র অপারেশনাল সক্ষমতা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তারা উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ পুলিশের এই কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।​উন্নয়ন সহায়তা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিত ​দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহায়তা এবং নিরাপত্তা খাতে কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে আসছে। বৈঠকে ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন,সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। বাংলাদেশ যেভাবে চরমপন্থা ও উগ্রবাদ নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে। ফ্রান্স এবং ইইউ আগামীতে প্রযুক্তিগত সহায়তা, উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে।”ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বৈঠকে সিটিটিসি প্রধান পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ দমন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ এবং ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বা আন্তঃদেশীয় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইইউ ও নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাথে যৌথ প্রশিক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়ন এবং পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই সফর দুই দেশের মধ্যকার নিরাপত্তা সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত