লেখক ঃ দেবিকা রানী হালদার।
তাং ঃ ২৫.০৪.২০২৪
সৃষ্টি কে তার স্রষ্ঠার অস্ত্বিত্ব স্বীকার করতে হয়! এটা ছাড়া বিশ্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়! কিন্তু মানুষ এতই নীচু মনা সেই স্রষ্টার দেয়া ধর্মকে পূঁজি করে নিজ ফয়দা হাসিলের জন্য তৈরি করেছে কয়েক হাজার ধর্ম এবং লক্ষ লক্ষ কুসংস্কার! তৈরি করেছে মন গড়া জাতি নির্যাতনের হাতিয়ার।
আদিম যূগ থেকে নারী পুরুষ থেকে শারীরিক দুর্বলতার জন্য নিগৃহীত হয়ে আসছে, ধর্ম আসার পর ও ধর্মীয় মোড়কে নারীকে আরও বেশী আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে ফেলা হচ্ছে!
নারী তেতুল, নারী দেখলে জিহ্বায় জল আসে তাই নারীকে ঢেকে ফেলো পায়ের পাতা থেকে চুলের আগা পর্যন্ত! আশ্চর্যের বিষয় যার জল আসে তার চক্ষু ঢাকার কথা নাই ! আমরা জানিই না মানুষ কি দিয়ে দেখে? অনুভব ই পাপ, অনুভব হয় “মনে”, না দেখে ও সাতসমুদ্র তেরো নদীর ওপারে নারী-পুরুষের প্রেম হচ্ছে, ভালবাসার টানে ছুটে আসছে, ঘর সংসার বাধছে তা হলে এক টুকরো কাপড় সামনে দিলে কি দেখা বন্ধ হয়, অনুভব অনুভূতি বন্ধ হয়, ভার্চুয়াল দেখা, অদেখা আকর্ষণ বন্ধ হয়? আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরুষ শিক্ষক ক্লাস নেন একটা কাপড়ের আড়ালে! বিশ্ব বিজ্ঞানে এতো এগিয়েছে অথচ এতটুকু জ্ঞান এদের হয় নাই, এক টুকরো কাপড় টাঙানো হলেই মনের দেখা বন্ধ হয় না! এটা একটা কুসংস্কার প্রথা মাত্র।
ধর্ম বৈষম্যে জীবন হরণ, মসজিদ মন্দির গীর্জা ভাঙা, রাম মন্দির ভেঙে কেউ বাবরি মসজিদ বা কেন করবে এত জায়গা পাশে থাকতে, আবার বাবরি মসজিদ ভেঙে ই বা কেউ রামমন্দির কেন করবে পাশে শত একর জায়গা থাকতে?
কারন একটা, অশিক্ষিত ধর্মপ্রাণ মানুষকে ধোকা দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটা!
কেউ মন্দির তুলে দান গ্রহন বাক্স খুলে বসেছেন তো কেউ মসজিদ মাদ্রাসা খুলে আয়ের বিরাট আয়োজন করে ফেলেছে। কেউ পাঁচশো কেজি স্বর্ন দিয়ে মন্দির করছে তো কেউ হেলিপোর্ট মসজিদের ছাদে করে বাহাুরি করছে আমি কতবড় ধার্মিক! অথচ বিশ্বে কোটি কোটি লোক অভুক্ত! আল্লাহ ঈশ্বর তাদের ই দান করতে বলেছেন সোনা দিয়ে মন্দির মসজিদ করতে বলেন নাই, দান বা যাকাতে এসব প্রতিষ্ঠানের নাম কোন ধর্মগ্রন্থে বলে নাই!
নারী পুরুষ কে তার আকর্ষণীয় অঙ্গ ঢাকতে বলা হয়েছে তবে দুটো চোখের ফুটা ছাড়া সব মুড়ে ফেলার পর্দা বলা হয়েছে কি? এমন কি ৬/৭ বছরের কিশোরী ও এমন কুসংস্কার নির্যাতনের শিকার হচ্ছে !
তথ্য সূত্র ঃ নিজ বাস্তব অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা ও জ্ঞানী গুনি লেখকদের ধর্মীয় আর্টিকেল চর্চা।



