লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২২.১২.২০২৩
বাংলাদেশ কোনদিকে যাচ্ছে? কি আছে বাংলাদেশের ভাগ্যে? মার্কিন টার্গেট মানে অঙ্গ হানি! আওয়ামী ভুল হলো
জামাতের নিবন্ধন বাতিল করা। বিএনপি খোলামেলা “ডি পিটার হাসের” সাথে পরামর্শ সভা করছে, আগের মত জ্বালাও পোড়াও হরতাল অবরোধ অগ্নিসংযোগে চলে গেছে! এতে তারা ব্যবহার করছে জামাতে ইসলামির ক্যাডারদের, বিএনপি তো বেশ কিছু ক্যাডার পরিবেষ্টিত দল, সেই ডেভিড ক্রেডিট মুরগী মিলন ইমদু কালা জাহাঙ্গীর সহস্র সন্ত্রাসী ক্যাডার উৎসাহ দিয়ে লেখক সাংবাদিক ব্লগার বিরোধী দলের নেতা (কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টারের মত শত জন পপুলার নেতা হত্যা করানোর পর নিজোরাই ক্ষমতায় থাকতে বিপদে পড়েন খালেদা জিয়া এবং R A B তৈরি করে প্রায় ৩২৭ জনের মত নিজ দল তথা বিরোধী শত্রু তালিকা ধরে হত্যা করান।
আজ জামাত ছাড়াও পলাতক জেএমবি সহ বেশ কয়েকটা
গোপন দল আছে যারা বিএনপি কে আপন ভাবে, এছাড়া “হেফাজতে ইসলাম” তো তাদের আছে গোড়ার থেকে !
অতএব সরকারের পথ কি? আমেরিকা তো গনতন্ত্র মানবতা মনুষ্যত্ব ইত্যাদি ধোঁয়া তুলে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলেই বসে নাই! সরাসরি গার্মেন্টস রপ্তানি তে হাত না দিলেও শ্রমিক অসন্তোষ বাড়াতে মালিক পক্ষ কে নিন্ন মজুরি ১২ হাজার বেঁধে দিয়েছে যা খোদ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি বাড়াবাড়ি বলেছেন!
নির্বাচন হলেও এবং তা মার্কিন পছন্দের দল ক্ষমতায় না এলে জ্বালাও পোড়াও আরও বাড়বে। হতে পারে গনতন্ত্র মানবাধিকার হরনের কথা বলে গার্মেন্টস রপ্তানি বন্ধ করে দিলো! পুনঃ নির্বাচন দাবীতে ১৮.৭ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ যা ওয়াশিংটন রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত তা ফ্রিজ করে দিলো, এ নির্লজ্জ কাজ অনেক দেশের সাথে আমেরিকা
করেছে। আফগানিস্তানের ১২/১৩ বিলিয়ন ডলার আটকায় দিছে যা আজ ও ছাড় দেয় নাই। ইরানের আটকানো রিজার্ভ ৩৫০ কোটি কয়দিন আগে দিলো তা ও একটা টোপ ছিলো হয়তো বা! আরও ২৫/৩০ বিলিয়ন (অংক টা কম বেশী হতে পারে) এখনও আটকে আছে!
বিএনপি তো আসলে এ দেশের অনাহূত একটা রাজনৈতিক দল! ক্ষমতায় থাকার কথা হয় “জামাত ই ইসলাম” না হয় “আওয়ামীলীগ” কারন ১৯৭১ সালে এই দুই দল ই ছিলো একে অপরের প্রতিপক্ষ! বিএনপি তো পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে ঢাল-তলোয়ার নিয়ে, জামাত মুসলিম লীগ ভেবেছে বিএনপি মন্দের ভালো আর উচ্ছিষ্ট ভোগী চৈনিক রা জিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা চেখে দেখতে সুযোগ পেয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত খুনের ফাঁসির আসামি সফিউল আলম প্রধানদের মত সহস্র খুনি ছাড়া পেয়ে প্রান ফিরে পেয়ে বিএনপি কে সিজদাহ্ করেছে যেমন
যশোরের কালিয়ার চেয়ারম্যান খলিল , নারায়ণগঞ্জের টানপাড়া বেশ্যা পল্লীর মালিক জাকির এমনি কতজনের নাম বলবো এরা সব বিসমিল্লাহ আর ঘোষকের একনিষ্ঠ বাধক ছিলেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত খলিল চেয়ারম্যান জিয়া
মুক্তি দিয়ে জেল থেকে বের করা এবং জিয়ার মৃত্যু পর্যন্ত নয় মার্ডার করেছিলো!
আমার সম্পর্কে জামাই হতো তাই এত জানি!
প্রিয় পাঠক, দেশ কোনদিকে যাচ্ছে তা ভাববার বিষয়। আমেরিকার এশিয়ায় নিজ অস্তিত্ব রক্ষা, বাংলাদেশে সামরিক ঘাটি at any cost করতে হবে! আর বিএনপি বাংলাদেশের এমন একটা দল যার নেতানেত্রীদের দেশ প্রেম, সাপ মরলে ও ভালো লাঠি ভাঙ্গলেও ভালো, ক্ষমতায় আসা একমাত্র কাম্য, মার্কিন ঘাটি তাদের তেমন কোন উদ্বেগ না! যেমন ১৭৫৭ তে ঘষেটি বেগম উমিচাঁদ ইয়ার লতিফ রায় দুর্লভ মীর কাশিম টাঁকশাল জগৎ শেঠ মীরজাফরদের “সিরাজুদ্দৌলা” টার্গেট ছিলো, দেশ তাদের কোন বিষয় ছিলো না! ১৭৬০ সালে ক্ষমতাচ্যুত হন মীর জাফরের! ক্লাইভকে ঘুষ দিতে চুক্তি আগেই ছিলো ৫ লক্ষ পাউন্ড + ২.৫ লক্ষ পাউন্ড!
মুর্শিদাবাদে মীর জাফরের বাড়ীর নাম “নিমক হারাম দেউড়ি” এখন ও দন্ডায়মান !



