মহান ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে বার্তা দিয়েছেন ইতালী আওয়ামী লীগ কাতানিয়া শাখার সভাপতি মোল্লা সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক নওয়াব সৌজন্য।
মোল্লা সেলিম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তৎকালীন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্তসহ সকল ভাষা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
মোল্লা সেলিম বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিজস্ব জাতিসত্তা, স্বকীয়তা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষারও আন্দোলন। আমাদের স্বাধিকার, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অমর একুশের অবিনাশী চেতনাই যুগিয়েছে অফুরন্ত প্রেরণা ও অসীম সাহস। ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা পথ বেয়েই অর্জিত হয় মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি এবং এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে আসে বাঙালির চিরকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা, যার নেতৃত্ব দিয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’
ইতালী আওয়ামী লীগ কাতানিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক নওয়াব সৌজন্য বলেন, আসলে আমাদের ভাষা আন্দোলন শুরু হয় ১৯৪৮ সাল থেকেই। পাকিস্তান যখন সৃষ্টি হলো তখন থেকেই বাঙালিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী এবং তাদের সঙ্গে এদেশের কিছু দালাল তাদের সঙ্গে এই ষড়যন্ত্রে যোগ দিয়েছিল। এই একুশের চেতনা বা বাংলা ভাষার ভিত্তিটা কোথায়? এই ভিত্তিটা হচ্ছে বাংলা সংস্কৃতির মধ্যে। অর্থাৎ দেড় হাজার বছর ধরে বাঙালির যে সংস্কৃতি সেই সংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে যে ভাষাটার উৎপত্তি হয়েছে টা ক্রমে ক্রমে পরিশোধিত হয়ে হয়ে আজকে আমরা বাংলা ভাষার যে রূপটি দেখতে পারছি সেটি হলও বাংলা ভাষা। অর্থাৎ এই বাঙালির সংস্কৃতিটা হলো আমাদের বাংলা ভাষার বহিঃপ্রকাশ। এই সংস্কৃতিকে বহমান রাখার জন্য বাংলা ভাষার সৃষ্টি। সেই বাংলা ভাষাকে অর্থাৎ এই বাঙালি সংস্কৃতিকে হত্যা করার জন্য তারা এই ষড়যন্ত্রের যাত্রা শুরু করে। এই ভাষাকে নষ্ট করতে পারলে এই বাঙালি সংস্কৃতি নষ্ট করে দেওয়া যাবে তখন এই বাঙালির কোন শিকড় থাকবে না, আর যখন শিকড় থাকবে না তখন এদেরকে শোষণ, নির্যাতন ও শাসন করা যাবে।



