শুক্রবার, মার্চ ২০, ২০২৬

একজন শেখ হাসিনা! পর্ব– ৩ 

আপডেট:

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

তারিখ ঃ ১৭.০৮.২০২৪

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনার ব্যর্থতা, কি হতে যাচ্ছে তার ভাগ্যে এবং একজন লৌহ মানব “মুজিব”!

আমি তিনটা বিষয় একটু আলোকপাত করবো!

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনার বড় ব্যর্থতা Highly talent warrior এক মুজিব কে তিনি জনগণের কাছে না রেখে দলীয়করণ করে ফেলেছিলেন! তার নামে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা টানেল ব্রিজ ট্যাচু মাঠ ঘাট বিল খাল করে তাকে সস্তা করে ফেলেছিলেন! সব বড় বড় বিশ্ব নেতারা কেউ ই সমালোচনা থেকে বাদ যান নাই। কার্ল মার্ক্স, লেলিন, মাও সে তুং, নেলসন ম্যান্ডেলা, গান্ধী, জিন্নাহ সব জাতীয় নেতারা দারুন সমালোচনার মুখে পড়েছেন! চীনের মাও সে তুং এর সহধর্মিণী কে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় পূজিবাদের দখলে চীন গেলে জেল খাটতে হয়েছে! মাওবাদ লেলিন বাদ মার্কসবাদ থেকে ১০০গুন ভালো ছিলো ” মুজিব বাদ” যা শেখ হাসিনা নিজেই বুঝেন নাই! সব সমাজতান্ত্রিক বাদের মূল মন্ত্র ছিলো “ধর্ম বুশ্ব মানবের বিভেদ সৃষ্টি করে এবং উন্নয়নের বাধা” ধর্ম বাদ! “মুজিব থিওরি ছিলো, যার যার ধর্ম পালন করবে, রাষ্ট্র কারো ধর্মে দখল নেবে না (এটা হলো ধর্ম নিরপেক্ষতা) কিন্তু আর্থিক সাম্য বন্টন হবে (এত টুকু সমাজতন্ত্র)! এই মুজিব বাদকে হাসিনা দাড় করাতে পারেন নাই! এই ধর্মনিরপেক্ষতাকে ভুল বুঝালো যারা অজ্ঞ গরীব ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ” ধর্ম হীনতা” বলে

আওয়ামীলীগ নামক রাজনৈতিক দল তা জনগনের হৃদয়ে ধারন করাতে ব্যর্থ হয়েছে অথচ বিশ্ব প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান নবী করীম সঃ এর মদিনা সনদ! ১৫% মুসলমান মদিনায় রেখে নবী করীম সঃ মক্কা বিজয়ে বের হন তখন অগ্নি পৌত্তলিক অন্যান্য উপাসক ছিলেন ৮৫%, নবী করীম সঃ ভয় পেলেন, তার অনুপস্থিতিতে এই ১৫% বর্বর আরবীদের দ্বারা নির্মূল না হয় তাই তিনি সব ধর্মের মোগলদের নিয়ে বসে যে সব ধর্মের পাশাপাশি ভ্রাতৃপ্রেমী হয়ে বসবাসের সংবিধান করেছিলেন তা ছিলো বিশ্বে বিভিন্ন ধর্মের লোকের সহ অবস্হানের ধর্ম নিরপেক্ষ সংবিধান! তখনকার বর্বর আরবীয়রা কেউ ধর্মহীন বলেন নাই সেই মদীনা সনদ কে, কিন্তু বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে তেরশো বছর পর মুজিব বিরোধীরা তেমন সংবিধান কে ধর্মহীন অর্থ করে দিলো যা আওয়ামীলীগ সমর্থক রা বুঝানোর উদ্যোগ নিলো না!

সংখ্যা লঘূ দেশ ছাড়া শুরু করলো, উত্তর সূরিদের প্রতিবেশী দেশে পাঠিয়ে নিশ্চিত হলো যখন হাসিনা সরকার তাদের নির্ভরশীলতার এক মাত্র ভাবনার বিশ্বাস্হতা রক্ষা করতে ব্যর্থ হলো, বিশ্বজিৎ হত্যা, মন্দির ভাঙা গোপালগঞ্জ বাগেরহাট পিরোজপুর নড়াইল মন্দির ভাঙা বন্ধ করতে ব্যর্থতা আওয়ামী সরকারের, এর পর সংখ্যা লঘূ এদেশ নিজ বাপ-দাদার দেশ ভাবতে ভুলে গেলো এবং পরোক্ষভাবে টাকা পাচার শুরু হলো, চাকুরী শেষে টাকাগুলো নিয়ে পালয়ন এবং সন্তানদের আগেই ওপারে সেটেল্ড করা!

প্রিয় পাঠক, কি আছে শেখ হাসিনার ভাগ্যে?

সন্মানিত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লাম সাম হিসাবে বলেছেন, সারা দেশে প্রায় একহাজার লোক হত্যা হয়েছে, কত ছাত্র কত পুলিশ কত পাবলিক তা তিনি বলেন নাই, এত তাড়াতাড়ি তা সম্ভব ও না। এদেশে বিভিন্ন সামরিক সরকার টিকে থাকতে কয়েক হাজার মানুষ হত্যা হয়েছে কিন্তু এমন জাতিসংঘ, জাতিসংঘের মানবাধিকার এবারকার মত সাড়া দেন নাই আন্তর্জাতিক আদালত ও তদন্ত করতে আসেন নাই!

আন্তর্জাতিক আদালত তদন্ত ছাড়াই আমরা মনে করি সব হত্যার দায়িত্ব (পক্ষে বিপক্ষে) ততকালীন প্রধানমন্ত্রীর, তারপর ও অতিরিক্ত তদন্ত হলে-ও ক্ষতি নাই। শেখ হাসিনা হত্যার দায়ভার এড়াতে পারবেন না, তিনি আন্তর্জাতিক মানের কঠিন রায়ে পতিত হবেন এবং একজন শেখ হাসিনা উপখ্যান শেষ হবে!

মুজিব নিয়ে সারা বিশ্বে গবেষণা হয়েছে এমন কি তার সাড়ে ১৩ মিনিট (সম্ভাবত) ৭ ই মার্চের ভাষন নিয়ে ও গবেষণা হয়েছে, সংরক্ষিত হয়েছে বিদেশি কোন কোন জাদুঘরে, আজ ও লেলিন মাও মার্ক্সবাদ নিয়ে গবেষনা হচ্ছে এবং নতুন সব তথ্য বের হচ্ছে কারন বিশ্বে খুব কমই Highly talent warrior জন্ম নেয়!

প্রচারে প্রসার, রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরষ্কার পেতেন না যদি তার প্রস্তাবনা কবি ইয়েটস না তুলতেন, প্রচার করতেন, তিনি নিজে নোবেল পেয়েছিলেন ৫ বার প্রস্তাবে ১০ বছর পর! পাকিস্তানের মহা কবি ইকবাল পান নাই প্রচারের অভাবে! হাসিনা ও তার সরকার মুজিব কে জনগণের মুজিব করতে ব্যর্থ, অহেতুক তাকে দলীয়করণ, সহস্র স্হাপনা তার নামে দেয়া বাতুলতা ছিলো ! তাকে জনগনের মুজিবে পরিনত করার প্রচার ও তার দূরদৃষ্টি সমাজ রাস্ট্র কে বিনয়ের সাথে বুঝনোর ব্যর্থতা!

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন। সত্য বলেন, সত্য জানেন, সৃষ্টিকর্তা কে হাজির নাজির জেনে ধর্ম পালন করেন!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত