ফেনী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখতে দুই সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। ফেনী সরকারি কলেজ গেইটে প্রতিদিন আচার, শরবত,আইসক্রিম,ফুচকা,ভেলপুরি,চানাচুর,বাদামসহ বসে নানা অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ দোকান। এসব দোকান থেকে প্রতিদিনই ৫০/- টাকা করে নেন ছাত্রদল নেতা জিল্লুর রহমান।জিল্লুর রহমান ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা ছাত্রদলের সহ সম্পাদক। প্রতিমাসে এসব দোকান থেকে পান প্রায় ১৫,০০০/- টাকা। আরো জানা যায়, ফেনী সরকারি কলেজের গেইটম্যান মিলনও এর সাথে জড়িত। সরাসরি দোকান থেকে টাকা নেন মিলন। সে নিজ মুখে শিকার করেছেন। দোকানিরা জিল্লুর নাম বলতে নারাজ হলেও অনেক জোরাজোরির পরে বলেছেন। জিল্লুকে বার বার ফোন দিলেই কোনো রেসপন্স পাওয়া যায়নি।গত ৫ই আগস্টের পরে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর থেকে জিল্লু এ কাজে জড়িত। যেখানে এ গণঅভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য ছিল এসব চাঁদাবাজি, চিন্তাই, চুরি, ডাকাতি এবং দূর্ণীতি দূর করে একটি সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। সেখানে ছাত্রলীগের সেই চাঁদাবাজির জায়গায় এখন ছাত্রদল। এমনকি অনেকাংশে তার থেকেও বেশি।জেলা ছাত্রদল থেকে জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নিবে সেটাই এখন প্রশ্ন? কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দাবী তাদের কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সাথে জড়িত নয়।
তথ্য সুত্র : ফেনীর সময়

