সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, নির্বাচনকে ঘিরে আগে থেকেই ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। একটি চক্র বাংলাদেশকে নতুন চক্রান্তে জড়ানোর চেষ্টা করছে। তবুও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সততা ও সাহসিকতায় দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।গতকাল
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে ‘শিক্ষকদের কল্যাণে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শিক্ষা সংস্কার, বেগম খালেদা জিয়ার অবদান, তারেক রহমানের শিক্ষা জাতীয়করণ ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, অতীতে বিদেশিদের ব্যালট দিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই ষড়যন্ত্রের সূচনা হয়েছিল। সাংবাদিকদের কারণেই এসব চক্রান্ত আজ প্রকাশ্যে এসেছে।তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যদি বিএনপিকে রায় দেয় এবং সরকার গঠনে সহায়তা করে, তাহলে বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের যে আস্থা হারিয়ে গেছে, তা আবার ফিরে আসবে।বিএনপির এই নেতা বলেন, তারেক রহমান ১৬ বছর নির্বাসনে থেকেও বাংলাদেশের মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়েছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তি ও গণতন্ত্রের স্বপক্ষের শক্তিকে সাহস ও শক্তি জুগিয়েছেন। শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, সংবিধান এবং একাত্তরের যুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার অঙ্গীকার থেকে তিনি কখনো বিচ্যুত হবেন না।
তিনি বলেন, যার জন্য আজ এই আয়োজন, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই।কিন্তু বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন তিনি বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে। আমরা তার অনুসারী, তার নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি।জয়নুল আবদিন ফারুক আরও বলেন, দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলার কারণেই শহীদ জিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড কেউ মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। তার প্রমাণ, তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ।তার সততা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। তিনি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে পরিচিত করেছেন, মুসলিম বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছেন।
নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশকে নতুন চক্রান্তে জড়ানোর চেষ্টা করছে : জয়নাল আবেদিন ফারুক
আপডেট:

