সাদাপাথর লুটের দায় ইউএনওসহ স্থানীয় প্রশাসন এড়াতে পারেন না। যেহেতু ইউএনও কার্যক্রম দেখেন জেলা প্রশাসক, সুতরাং তিনিও দায় এড়াতে পারেন না। প্রশাসনের কর্মকর্তারা লুট বন্ধে শুধু গাফিলতিই করেননি, এই লুটে তাদের যোগসাজশ রয়েছে মনে করা হচ্ছে। আর এটি মনে করার বহু কারণও রয়েছে। তিনি বলেন, পর্যটন স্পট সাদাপাথরের পাথর লুট করে তো হাওয়ায় উড়িয়ে নেয়া হয়নি। এ পাথর লুট করে হয় নদী পথে, নতুবা সড়ক পথে পাচার করা হয়েছে। অথবা খোলা জায়গায় নিয়ে পাথর স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এই পাথরগুলো রক্ষায় প্রশাসন চাইলে যেকোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারতো। কিন্তু তারা সেটি করেননি। এদিকে, সিলেটের সাদাপাথর লুট এই মুহূর্তের বার্নিং ইস্যু। পাথর লুটের ফলে দেশের অন্যতম সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি পর্যটন স্পটের অপমৃত্যু হতে যাচ্ছে। আর এই লুটের দৃশ্য দেখে হাহাকার চলছে। পাথর লুটে কোম্পানীগঞ্জের মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। কোম্পানীগঞ্জ ট্যুরিস্ট ক্লাবের সভাপতি ও প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান পাথর লুটপাটে প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরে বলেন তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘পাথর লুটের দায় যেমনি প্রশাসনের আছে তেমনি আছে রাজনৈতিক নেতৃত্বেরও। লুটপাটের সময় প্রশাসন সম্পূর্ণ নীরব ছিল। কোনো কার্যক্রম চালায়নি। প্রশাসনের তরফ থেকে তখন জানানো হয়; হাজার হাজার মানুষ পাথর লুট করছে তাদের ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত লোকবল ছিল না। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জের প্রশাসন সেক্ষেত্রে সিলেট বা সরকারের উচ্চপর্যায়ের সহযোগিতা নিতো পারতো। কিন্তু সেটি না করে তারা নীরবই থাকেন। আর রাজনীতিবিদরাও তখন এগিয়ে আসেননি। নিচ্ছে, নিয়ে যাক- এমন মনোভাব ছিল সবার। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটর রুবেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এই হীন অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জরুরি।

