লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৭.১০.২০২৩
বিশ্বে সর্বমোট ৪৩০০ ধর্ম, আমরা ইসলাম ধর্মকে সর্বোৎকৃষ্ট বলে থাকি, যদিও সনাতন ধর্ম ইসলামের আগে এসেছে, আবার আদম আঃ থেকে মুসলমান দাবী কিন্ত তখন কুরআন ছিলোনা, ইসলাম ও না। ইসলামের বয়স ১৪০০ বছর নবী করীম সঃ থেকে।
কোন ধর্মের উপর স্কুল কলেজ মাদ্রাসা নাই, ইসলাম ধর্মের নিজস্ব সনদে মাস্টার্স আছে। কোন ধর্মে ভাগাভাগি নাই শান্তির ধর্ম ইসলামে শত ভাগ। একই কুরআনের ব্যাখ্যা ইরানে একরকম বাংলাদেশ পাকিস্তানে একরকম। গত পরশু “হেফাজতে ইসলাম” রাজনৈতিক দলের সভায় আলেম ওলামা বুজুর্গ দ্বীন এ ইলেম যারা বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা এনে ঢাকা ৫/৭ টা বাড়ী করেছেন, পরের বউ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ মদের মহিলা সরবরাহ রিসোর্টে ধরা পড়েছেন তাদের মুক্তি চেয়েছেন। কওমি মাদ্রাসা একটা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে পড়তে আসে পরকালের প্রলোভনে সস্তা শিক্ষা বলে যারা তারা ছাত্র সাথে সাথে “হেফাজতে ইসলাম” রাজনৈতিক দলের কর্মী! এ কেমন ধর্মীয় শিক্ষা! তাদের ধর্মীয় exploitation এর মাধ্যমে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে যা কোমলমতি অবুঝ গরীবের সন্তান রা বুঝতে পারছে না! তারা জানে “মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী” অতএব হেটে যেয়ে বুলেটের সামনে বুক পেতে দেয় এবং বায়তুল মুকাররম এমন জন ১২ – থেকে ২১ জনের মৃত্যু (খালেদা জিয়ার হাজার হাজার মৃত্যু, আদিলুরের ৬১ জন) কবরের ২ দিন পর (কবরের মাটি শুকানোর আগে) তাদের ধর্মীয় নেতা মাসায়েক বুজুর্গ কামেল ব্যক্তি ক্লান্ত বিধায় মদের রিসোর্টে মহিলা নিয়ে ফূর্তি করে পাবলিকের হাতে ধরা পড়ে শ্রীঘরে। পরশু এই শিক্ষায় শিক্ষিত হাদিস কুরআন জানা লোকেরা এমন নেতাদের মুক্তি চান —–
প্রিয় পাঠক, যে কোন শিক্ষা ভালো। ১৮৬৬ সালে ভারতের শাহরান পুর জেলার “দেওবন্দে” ৩৬ কোটি টাকা খরচ করে এই মাদ্রাসা তৈরি হয়। অনেক সমালোচক লিখেছেন ইংরেজ রা মুসলমানের “গোড়া” অংশকে সরিয়ে দেয়ার জন্য এই আয়ের পথে পূঁজি খাটিয়েছিল! উচ্চ শিক্ষিত রাজনৈতিক নেতা খান গফ্ফার খানকে অমৃতস্বরের ভারত আন্দোলনের হাজার দুই লোক “মেজর ডায়ারের’ নেতৃত্বে মেশিন গানের গুলিতে হত্যা করলে গফ্ফার খান ছুটে যেয়ে “ডায়ারের” কাছে কৈফিয়ত চাইলে তাকে ও বলা হয়েছিলো, “তুমি মুসলমান চন্ডালের সাথে সৌহার্দ কেন?
মুসলমান নিয়ে সরে যাও আন্দোলন থেকে, টাকাপয়সা নিয়ে যাও যত লাগে, আল্লাহ বিল্লাহ করো, তিনি বলেছিলেন, ” আমার একজন মুসলমান যদি পালাতে যেয়ে পিঠে গুলি খেয়ে থাকে, গুলি বীরের মত বুকে না নিয়ে থাকে আমি কথা দিচ্ছি, আন্দোলন থেকে মুসলমান নিয়ে সরে যাবো। পোস্টমর্টেম হুকুম হলো, শুধু মুসলমানদের ৫৯ লাশ পোস্টমর্টেম হলো কারো পিঠে গুলি নাই সব “বুকে”! ডায়ার বললো stop postmortem. তাকে টোপ গিলানো গেলো না যে টোপ ১৮৬৬ সালে মাওলানা কাসেম সাহেবকে গিলানো গিয়েছিলো ” দেওবন্দ” মাদ্রাসা করে দিয়ে যে মাদ্রাসায় শিখানো হয় “কিছু দেখোনা” “কিছু শিখো না”, মিশাইল বোম ছাড়া “ইমাম মেহেদী” এলে সারা বিশ্ব কে মুসলমান দখলে আসবে! বিজ্ঞান পড়া হারাম, টিভি দেখো না, ফিলিস্তিনে ৪১ শো ইহুদি রা হত্যা করেছে সেখানে ২১ লাখ কওমি ছাত্র কেউ জেহাদে যেতে চায় না, জেহাদ করেন বাংলাদেশের ইংরেজি পড়া প্রধানমন্ত্রী যার বাবা মুজিবকে ঐ পশ্চিমা শক্তি হত্যা করেছে এদেশের নালায়েক দিয়া!
কওমি ছাত্র নিয়ে গড়া “হেফাজতের জেহাদ” শাপলা চত্ত্বর!
তবলীগ জামায়তের লাখ লাখ লোকের অবস্হানের জায়গা টঙ্গী তুরাগ তীরে দিয়েছিলেন “মুজিব”, হজ্জের পরে দ্বিতীয় বেশী লোক সেখানে একত্রিত হন। তবলীগ প্রতিষ্ঠাতার “পৌত্র সাআদ” বলেছেন, কওমি রা ব্যবসা করছে ইসলাম বেঁচে যা হারাম। যারা এটা সমর্থন করেন তারা ওলামায়ে “ছু” ! একথার কুরআনি উত্তর না দিয়ে তবলীগ মাঠে চারজন মারামারি তে হত্যা।
সাআদ বলেছেন, কুরআন অনুযায়ী —
১. কুরআন শিখায়ে, নামাজ পড়ায়ে, মিলাদ দিয়ে পয়সা উপার্জন বেশ্যার উপার্জন সমান —
তিনি আরো বলেছেন, ২. ৩. ৪. ৫.
সত্য বলায় দুই ভাগ হয়ে গেলো “এত বছরের ইসলামি দাওয়াতে ” তবলীগ” ! হত্যা করা হলো ৪/৫ জন মুসল্লী কে। কেন? ইসলামি ব্যবসা বন্ধ হয় বলে? “চলবে



