কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরানথানায় অবস্থিত মোবাইল মার্কেট সামাদ প্লাজার নিচ তলায় “মেসার্স জেএফ টেলিকম” নামের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে চোরাই মোবাইল ফোন, IMEI পরিবর্তন করার ডিভাইস, ডেক্সটপসহ ১ জন অভিযুক্তকে আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প।
সোমবার ২২ এপ্রিল দুপুর ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাম্প কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোঃ আশরাফুল কবিরের নেতৃত্বে সামাদ প্লাজার নিচ তলায় “মেসার্স জেএফ টেলিকম” নামের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে দোকানের মালিক অভিযুক্ত মোঃ রুহুল আমিন(৩৫)কে গ্রেফতার করে।এ সময় তার দোকান থেকে চুরিকৃত ৩ টি মোবাইল, IMEI পরিবর্তন কাজে ব্যবহৃত ডেক্সটপ কম্পিউটার ও ১ টি মনিটর,IMEI পরিবর্তন করার ৩ টি ডিভাইস উদ্ধার করে।আটক অভিযুক্ত রুহুল আমিন ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার পাঁচ দড়িল্লা গ্রামের আঃ জলিল এর ছেলে।
র্যাব জানায়,বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে সবচেয়ে জটিল সমস্যার নাম হচ্ছে সাইবার ক্রাইম। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইলের কোড পরিবর্তন করে অপরাধীরা নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হচ্ছে। চুরি বা ছিনতাই করা মোবাইলের IMEI কোড পরিবর্তন করে অপরাধীরা অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করলেও তাদের চিহ্নিত করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য কষ্ট সাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই চোরাই বা ছিনতাইকৃত মোবাইল সংগ্রহ করে IMEI নাম্বার পরিবর্তন করে অপরাধীদের কাছে সরবরাহ করে। এসকল অসাধু ব্যবসায়ী ও অপরাধী চক্রকে আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প অভিযোগের অনুসন্ধান করে জানতে পারে জেলা শহরের পুরানথানা এলাকার আঃ সামাদ প্লাজার নিচ তলায় “মেসার্স জেএফ টেলিকম” নামক দোকানে এসব অবৈধ কার্মকান্ড পরিচালিত হয়।
এ ঘটনায় আটক অভিযুক্ত আসামী রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের পেনালকোড আইনের ৪১৩ ধারাসহ সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ এর ২২ ধারায় কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানায় র্যাব।



