মোঃ রতন বাবু স্টাফ রিপোর্টার।।
রংপুরের মিঠাপুকুরে অধিকাংশ ফার্মেসি চলছে ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্ট ছাড়া। ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্ট ছাড়া ঔষধ বিক্রির ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না এসব ফার্মেসিতে। লাইসেন্স বিহীন এসব ফার্মেসিতে বিক্রি করা হচ্ছে নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ।
অভিযোগ উঠেছে, এসব ফার্মেসি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই উচ্চ মাত্রার এ্যান্টিবায়োটিক, ঘুমের ট্যাবলেট, যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, নিষিদ্ধ ভারতীয় নকল ট্যাবলেট ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধসহ নানা ধরনের ঔষধ বিক্রি করছে অবাধে। এবং ছোট খাটো অস্ত্রোপচার ও করা হচ্ছে এসব ফার্মেসিতে। এতে রোগ নিরাময়ের পরিবর্তে আরও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন উপজেলাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, মিঠাপুকুর উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে, হাট-বাজারেরের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে হাজারও ফার্মেসি। এর মধ্যে অনেক ফার্মেসির নেই ড্রাগ লাইসেন্স। লাইসেন্স বিহীন এসব ফার্মেসিতে অদক্ষ বিক্রয়কর্মীরা ঔষধ বিক্রি করছেন। এদের মধ্যে অনেকেই ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করার আগে অন্যের ফার্মেসিতে কাজ করেছেন, সেখান থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে নিজেই খুলে বসেছেন ফার্মেসি ব্যবসা।
সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে মালিক ও কর্মচারীই সেজে বসেছে ডাক্তার। এতে প্রতিনিয়ত অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আবার, লাইসেন্স বিহীন এলোপ্যাথিক ঔষধের পাশাপাশি খুলে বসেছে আয়ুর্বেদী ও প্রাণী চিকিৎসার ফার্মেসি। এসব হাতুড়ে ডাক্তার আবার বিভিন্ন ক্লিনিকে রোগী পাঠিয়ে কমিশনের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে মাসোহারা।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আলতাফ হোসেন জানান, এটা ঔষধ প্রশাসনের উপর র্নিভর করে, কারণ ড্রাগ লাইসেন্স তারাই দিয়ে থাকেন, আমি শুধু বলবো, যারা ফার্মেসির ব্যবসা করেন তারা অবশ্যই ড্রাগ লাইসেন্স করে নিবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মন জানান, অভিযোগ পেলে মোবাইল কোট পরিচালনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



