সোমবার, মার্চ ২৩, ২০২৬

দুধের সাথে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে জসীমউদ্দিনকে হত্যাকরে রুনা

আপডেট:

এক নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্কের জের ধরে খুন হয়েছেন শিল্পপতি জসিম উদ্দিন মাসুম। পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত শিল্পপতির বান্ধবী রুমা নামের এক নারী ও তার সহযোগী রুকুকে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে। এর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের লেক থেকে সাত টুকরা লাশ উদ্ধার এবং পরিচয় সনাক্ত হওয়ার পর হত্যার রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় হত্যায় ব্যবহৃত হেক্সো ব্লেড, চাপাতি, নিহতের সাফারি পোশাক উদ্ধার করে পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার রুমার সাথে ব্যবসায়ী মাসুমের অবৈধ সম্পর্কের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।এসপি বলেন, শিল্পপতি জসিম উদ্দিন মাসুমকে হত্যা করে লাশ সাত টুকরা করে গুমের চেষ্টায় রুমা নমে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি বলেন, শিল্পপতি জসীমউদ্দিন মাসুমের ক্ষতবিক্ষত সাত টুকরা লাশ রূপগঞ্জ লেক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আমাদের পুলিশ তাৎক্ষণিক এর তদন্ত শুরু করে। গুলশান থানার একটি জিডির সূত্র ধরে আমরা এই ডিসিস্টের পরিচয় জানতে পারি। তার সাথে রুমা নামের একটি মহিলার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি হত্যা করে লাশটি টুকরা করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন। হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা নিহতের প্রেমিকা রুমা (২৮) ও তার সহযোগী রুকু (২৮)-কে গ্রেফতারসহ উদঘাটন করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডের রহস্য।এসপি বলেন, জানা গেছে,তরুনীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তারা প্রায় সময় মিরপুরের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে মিলিত হতেন। ওই ফ্ল্যাটে নিহত ব্যবসায়ী জসিমউদ্দীন অপর এক নারীকে নিয়ে যান। বিষয়টি জানতে পারেন রুমা। এতে রাগে-ক্ষোভে রোববার নিহত জসীমউদ্দিনকে মিরপুরের শেওরাপাড়ার ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে গিয়ে দুধের সাথে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে জসীমউদ্দিনকে পান করান। তিনি অচেতন হয়ে পরলে তাকে হত্যা করে লাশ কয়েকটি টুকরা করা হয়। পরে টুকরাগুলো রুমা নিজেই দু’দফায় উবারে এবং সিএনজিতে করে ফেলে যান।তিনি আরো বলেন, আমরা লাশের টুকরা ও এই কাজে ব্যাবহৃত চাপাতি ও জামার টুকরা উদ্ধার করেছি। এ কাজে রুমাসহ অপর একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত