মাটি কাটা দুষ্ট চক্রে প্রতিরোধ করতে হলে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। অবৈধ ইট ভাটা বন্ধ করতে হবে। যদিও এখন মাটি কাটা রোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবুুুও কথায় আছে চোর না শুনে ধর্মের বানী। ফসলি জমি রক্ষায় জেলা প্রশাসন কোন ছাড় দেবে না বলে সহকারী ভুমি কমিশনার দৈনিক সকালের কন্ঠ কে জানিয়েছেন। অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটিকাটা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সুপারিশ আসলে শাস্তি দ্বিগুণ করার ব্যবস্থা নিশ্চিতভাবে গ্রহণ করা হবে।০৭-০৫-২০২৫ খ্রি. দিবাগত রাত ০১:০০ টায় ফেনী সদর উপজেলার লালপোলের নিকটবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের পাশে দাসের পোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ০২ (দুই) জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। বাকীরা আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এই স্পটে পৌছানোর তেমন কোন রাস্তা না থাকায় আমরা প্রায় হাফ কি. মি. এর অধিক জায়গা জমি হয়ে হেঁটে স্পটে পৌছাই।সদ্য ফসল তোলা কৃষি জমির মাটি অত্যন্ত গভীরভাবে কেটে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি হুমকি সৃষ্টি এবং ফসলি জমির মাঝখানে প্রায় হাফ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করে অন্যের জমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করায় অপরাধের মাত্রা বিবেচনাপূর্বক,ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ অনুযায়ী সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুর এলাকার মো: খোকন (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে ০৬ (ছয়) মাস এবং সদর উপজেলার কালীদহ ইউনিয়নের শেখ আবদুল্লাহ (২০) নামের অপর এক ব্যক্তিকে ০২ (দুই) মাস কারাদন্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাদেরকে জরিমানাও করা হয়।এসময় একটি এস্কেভেটর ও ০৩ (তিন) টি ট্রাক জব্দ করা হয়। এস্কেভেটর আনার সুযোগ না থাকায় বিনষ্ট করা হয় ও ট্রাক তিনটি হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিযানে বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা অভূতপূর্ব ভূমিকা রাখে। অভিযান পরিচালনায়,সজীব তালুকদার সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফেনী সদর, ফেনী

