আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ফেনীতে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা ৪৫৬ মামলার মধ্যো ২২৩টি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব মামলার বেশিরভাগই দায়ের হয়েছিল বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে।ফেনী জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মেজবাহ উদ্দীন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ফেনী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে প্রথম ধাপে ২২৩টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় তিন থেকে চার হাজার নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। অনেকে ইতোমধ্যেই কারাভোগ করেছেন। আমরা বাকি মামলাগুলোও দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাই।পিপি মেজবাহ উদ্দীন খান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলছে। ফেনী জেলা থেকে ৪৫৬টি মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে ২২৩টি মামলার প্রত্যাহার ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ‘এসব মামলার বেশিরভাগই ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে করা। বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে-পরে বিপুলসংখ্যক গায়েবি ও মিথ্যা মামলা করা হয়।’

