টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রবাসফেরত ফিরোজ মিয়া হত্যার পেছনে ত্রিমুখী পরকীয়ার আলামত পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিবেশী এক নারী ও পুরুষকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের মুচিরচালা গ্রামের মৃত বশির উদ্দিনের ছেলে জামিল হোসেন ওরফে সোনা মিয়া (৫৩) ও পাথালিয়া পাড়া গ্রামের প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী ফিরোজা আক্তার (৪৫)। তবে এ ঘটনায় ফিরোজের আরেক প্রেমিকা ও স্বজনদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছিলেন নিহতের ভগ্নিপতি এবিএস ফরহাদ মোল্লা। পরে অবশ্য অজ্ঞাতনামা আসামি করে মঙ্গলবারই মামলাটি রুজু করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ফিরোজা আক্তারের দেয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়, তার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল ফিরোজ ও জামিলের। সোমবার দিনগত রাতে ফিরোজের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ককালীন বিষয়টি দেখে ফেলেন জামিল। এ সময় তাদেরকে ঘরে আটকের চেষ্টা করে সে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ের ফিরোজার পেটে টেটা দিয়ে আঘাত করে জামিল। এই সুযোগে অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়ে পালায় ফিরোজ। জামিলও তার পিছু নেয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল বেলা অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায়ই ক্ষেতের পাশে ফিরোজের মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তবে কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তা এখনো খোলাসা করতে পারেনি পুলিশ।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. জুয়েল বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা গেছে। তবে কীভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে তা উন্মোচন করার জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালত দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আশা করছি পুরো বিষয়টি দ্রুতই বের হয়ে আসবে।

