ঢাকা, [বর্তমান তারিখ]: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) রাষ্ট্রদূত তাঁর বাসভবনে পবিত্র রমজান উপলক্ষে এক বিশেষ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। এবারের আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল এর ব্যতিক্রমী অতিথি তালিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের “অন্তর্ভুক্তি ও বৈচিত্র্য” (Inclusion and Diversity) নীতির চমৎকার প্রতিফলন।বৈচিত্র্যের মিলনমেলাইউরোপীয় ইউনিয়নের মূলমন্ত্র অনুসরণ করে এই ইফতার মাহফিলে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিশেষ করে, রাষ্ট্রদূতের বাসভবন ও কার্যালয়ের সহকারী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের সাথে নিয়ে একই টেবিলে ইফতার করেন রাষ্ট্রদূত। এটি মূলত ইইউ-র সেই নীতিকে তুলে ধরে, যেখানে পদমর্যাদার ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক মর্যাদা ও সাম্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।খাবারের মেনুতে বাঙালিয়ানা আয়োজনটি ইউরোপীয় কূটনীতিকের পক্ষ থেকে হলেও, ইফতারের মেনুতে ছিল আদ্যোপান্ত বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের ছোঁয়া।দেশীয় স্বাদ: পিয়াজু, বেগুনি, চপ এবং ঘুগনিসহ হরেক রকমের দেশি ইফতার সামগ্রী পরিবেশন করা হয়।
সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন: বাংলাদেশের স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মেনু নির্বাচন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।রাষ্ট্রদূতের বার্তাইফতার পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রাষ্ট্রদূত বলেন:”রমজান আমাদের ধৈর্য এবং সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। আজ আমার সহকর্মীদের সাথে বাংলাদেশের এই চমৎকার ইফতার সংস্কৃতি ভাগ করে নিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”এই আয়োজনটি কেবল একটি ইফতার মাহফিল ছিল না, বরং এটি ছিল বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং একে অপরের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের এক উজ্জ্বল নিদর্শন।
ইফতার মাহফিলে বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির বার্তা ইইউ রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে বিশেষ আয়োজন
আপডেট:

