চোটের জন্য আগে থেকেই নেই নেইমার। শৃঙ্খলা ভাঙার দায়ে দুই সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ লিওনেল মেসি। ধারাবাহিকতা খুঁজে ফেরা দলকে পথ দেখালেন কিলিয়ান এমবাপে। সহজেই তোয়াকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল পিএসজি।
প্রতিপক্ষের মাঠে রোববার রাতে ৩-১ গোলে জিতেছে ক্রিস্তফ গালতিয়ের দল।
এমবাপে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উগো একিতিকে। শেষ দিকে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার আভাস দেন জাভিয়ে শাভালাহাঁ। কিন্তু ফাবিয়ান রুইসের গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
লরিয়ঁর বিপক্ষে হারের ধাক্কা সামাল দেওয়ার পাশাপাশি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে গেল পিএসজি। ৩৪ ম্যাচে ২৫ জয় ও তিন ড্রয়ে ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের পয়েন্ট ৭৮। সমান ম্যাচে ৭২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে লঁস।
আক্রমণাত্মক ফুটবলে পিএসজি এগিয়ে যায় অষ্টম মিনিটে। ভিতিনিয়ার ক্রস ডিফেন্ডার এরিক পামার-ব্রাউনের গা ছুঁয়ে ক্রসবারে লাগে। তোয়ার কেউ বিপদমুক্ত করার আগেই ছুটে গিয়ে হেডে জাল খুঁজে নেন এমবাপে।
২১তম মিনিটে রুইসের শট ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি তোয়া গোলরক্ষক গুচিয়ে গ্যালোঁ। ছয় মিনিট পর তিনি স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন।
৪৫তম মিনিটে সমতা প্রায় ফিরিয়েই ফেলেছিল তোয়া। পোস্ট ঘেঁষে নেওয়া মামা বাল্দের দারুণ ডাইভিং হেড ঝাঁপিয়ে কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন জানলুইজি দোন্নারুম্মা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাড়তে পারত ব্যবধান। ডাবল সেভে পিএসজিকে হতাশ করেন গ্যালোঁ। একিতিকের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকানোর পর তোয়া গোলরক্ষক এগিয়ে এসে রুখে দেন মার্কো ভেরাত্তির শট।
৫৩তম মিনিটে বাঁকানো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এমবাপে। চার মিনিট পর একটুর জন্য পেনাল্টি স্পটের কাছে একিতিকের বাড়ানো বলের নাগাল পাননি তিনি।
৫৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিতিনিয়া। ভেরাত্তির চমৎকার ক্রসে ছুটে গিয়ে হেড করেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। তার প্রথম চেষ্টা ঠেকিয়ে দেন গ্যালোঁ, কিন্তু ফিরতি বল অনায়াসে জালে পাঠান ভিতিনিয়া। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষকের।
৮৩তম মিনিটে অনেকটা খেলার ধারার বিপরীতে গোল করে নাটকীয়তার আশা জাগায় তোয়া। পাপে ইয়াদের দারুণ ক্রসে ছুটে গিয়ে চমৎকার হেডে জাল খুঁজে নেন শাভালাহাঁ।
দুই মিনিট পরেই পিএসজি শিবিরে স্বস্তি ফেরান রুইস। রেনাতো সানচেসের ক্রসে এমবাপের হেড কোনোমতে ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক। কাছে থাকা রুইস ফিরতি বলে নেন বুলেট গতির শট। বাঁ দিকের পোস্টে লেগে বল জড়ায় জালে, তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল গ্যালোঁর।
এরপর আর পেরে ওঠেনি তোয়া।



