শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬

আপনি জানেন কি

আপডেট:

 

ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

০৩.০২.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

১৯৭১ সালে নয় মাস যুদ্ধ করে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ৪ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ পেয়েছি আমরা। ১৯৭১ সালে যে রাজনৈতিক দলটা সরাসরি বাঙালির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে সে দলটা জামাত ই ইসলাম। মুসলিম লীগ সাথে ছিলো। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের সাথে বিবাদ থাকতেই পারে, ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হয় “আওয়ামিলীগ” না হয় “জামাত।”

 

মাঝ খানে ইয়াহিয়ার অনুগত বাঙালি নাম ধারী “মেজর জিয়া” ১৯৪৭ সালের পর ১৯৭০ এ প্রথম বাংলাদেশে এসে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত থেকে একখান দল করলেন বিএনপি, যে দল জামাত থেকে ও বেশী পাকিস্তান পন্হী এবং ক্ষতিকর কারন তারা জামাতের মত রাজনৈতিক দল না, সেনা ছাউনির দল।

আজ বিশ্ব এস্তেমায় এসে পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের গুনগান করেন কিন্তু বিএনপি এখনও বাংলাদেশ মানে না, জাতির জনক মানে না, বাঙালিরা মুসলমান তা মানে না, হিটলার ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করে ইহুদি জাতি নিধন করতে পারে নাই, ইয়াহিয়া ৩০ লক্ষ বাঙালি হত্যা করে”বাঙালি জাতি” নিধন করতে পারে না। বৃটিশ মোগল পর্তুগিজ আফগান পাকিস্তান বিভিন্ন জাতি দ্বারা শাসিত বাঙালি তার বাঙালিত্ব হারায় নাই!

 

প্রিয় পাঠক, ৫ হাজার বছর এই অঞ্চলে সভ্য দ্রাবিড় থেকে জন্ম বাঙালী জাতি বিশ্বের ৭১০০ জাতির মধ্যে ৭ ম জাতি, বিশ্বে তার এই সপ্তম অবস্হানের কারনে কেউ তার জাতি সত্তার উপর হাত দেয় নাই! মজার কথা ১৯৪৭ সালে অখন্ড ভারত ভাগের সময় “মুনসুর আহম্মদ” নামক একজন কলকাতায় বসবাস রত পত্রিকার ইন্ক টেকনিশিয়ান পূর্বপাকিস্তান না ফিরে ছেলে বৌর হাত ধরে পশ্চিম পাকিস্তান চলে যান সেই শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির সন্তান ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে সেনা সেপাইতে ভর্তি হন এবং একসময় মেজরে পদন্নোতি পান। বাসার ভাষা উর্দু, ১৯৪৭ সালের পর আর বাঙালির পূর্ব পাকিস্তান আসেন নাই কিন্তু বাঙালি মোড়ক টা গায়ে রয়ে গেছে এবং ১৯৭০ এ ইয়াহিয়া খান তাকে বিশ্বস্ত ও বাঙালি মোড়ক থাকায় তাকে পূর্ব পাকিস্তান নির্বাচন manipulating করতে পূর্ব পাকিস্তান পাঠান কিন্তু বাঙালি জোয়ারে তিনি কিছু ক্ষতি করতে পারেন নাই!

সোয়াত শীপের অস্ত্র খালস থেকে ২৫ মার্চ মুজিবের ডাকা সাড়া না দিয়ে, তার সন্মুখে চিটাগং ২/৩ নং জেটিতে ২৬/২৭ এ মার্চ পাক নেভাল ২০০ বাঙালি গান বোটে বসেই হত্যা করেছিলো কিন্তু জিয়া রিভোল্ট করেন নাই।

২৭ শে মার্চ রাত সাড়ে আটটায় তিনি চিটাগং শহরে মেজর রফিকের সাথে পাক সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে কালুরঘাট এলায় তাবু গেড়ে বসে যান তার ট্রুপস নিয়ে। রেডিও তে মুজিবের ঘোষণা পত্র পাঠ করে তিনি ঘোষক ও বনে যান ১৯৯০ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর।

 

প্রিয় পাঠক, বাঙালি জাতির জাতীয়তাবাদ বাঙালিত্ব এমন একজন বাঙালি মোড়ক লাগানো সো কল্ড মুক্তিযোদ্ধা কলমের এক খোঁচায় শেষ করে দেন এবং “বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” উপহার দেন। অথচ পাকিস্তানের ভাষাভিত্তিক পাঞ্জাবিরা পাঞ্জাবি, বেলুচ রা বেলুচ বিদ্যমান এবং বিশ্বে পরিচিত জাতি, শুধু নাগরিক হিসাবে তারা পাকিস্তানি। আমরা জাতি হিসাবে “বাংলাদেশি” হয়ে আছি! এ হেন ব্যক্তি বাঙালির কতটুকু মিত্র বা কতটুকু শত্রু তা শুধু আপনাদের বিচার্য!

 

বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম গন জমায়েত “বাংলাদেশের তুরাগ তীরের বিশ্ব এস্তেমা, হজ্বের পরই বড় গন জমায়েত এ আগত পাকিস্তানের “এস্তেমার মুসল্লীরা” বাংলাদেশের গুনগান করেন, হাসিনাকে উন্নয়নের রোল মডেল মনে করেন, মুজিবকে বিশ্ব নেতা মানেন, এই এস্তেমায় মুজিবের অবদান তারা জানেন, ইন্দ্রা গান্ধী কে গুরুত্ব না দিয়ে মুজিব লাহোরে O I C সন্মলনে যোগ দিয়ে মুসলিম দেশের সাথে বাংলাদেশ কে সংযুক্ত করে গেছেন! অনেক পাকিস্তানি সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাৎ কালে এসব বলেছেন। এদেশের কিছু লোক মুজিবকে মুসলমান মানেন না, শেখ হাসিনা যত ই ৬৬৫ টা মডেল মসজিদ করেন মুসলমান হতে পারেন নাই কারন তিনি বাংলায় কথা বলেন, উর্দু বলেন না, বাসায় ফ্রীজে মদ রাখেন না!

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশেকে ভালোবাসেন।

কুরআনের মুসলমান হন, ভন্ড লোক দেখানো ইসলাম আপনাকে টেনে নিবে জাহান্নাম।

 

তবলীগে আগত পাকিস্তানিদের সাংবাদিকদের সাথের সাক্ষাৎকার!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত