লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তারিখ ঃ ১৭.০২.২০২৪
ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী দেশ। ধর্ম ভাষাভাষী তে আমরা এক ও অভিন্ন! ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতায় ভারতের অবদান অনস্বীকার্য।
এক কোটি মানুষ কে ইন্দিরা গান্ধী ভাত কাপড় দিয়েছেন এক বছর। বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি নিয়েছেন আমাদের স্বাধীনতার জন্য। ভারত পাশে না থাকলে “সোভিয়েত ইউনিয়ন’ এগিয়ে আসতো না ! ভিয়েতনামের মত ২০ বছর যুদ্ধ চলতো ৫ কোটি লোক মেরে ফেলতো। হয়তো সোভিয়েত না থাকলে কিসিঞ্জারের প্রস্তাব চীন মেনে নিয়ে ভারত আক্রমণ করতো ।
ভারত আমাদের ক্রিকেট কে বিশ্বকাপ স্টেটাস পেতে সহায়তা করেছে।
যৌথ নদী কমিশনে ভারত বাংলকে সহায়তা করতে পারছেন না মমতা দিদির জন্য! জানি না কি শত্রুতা মনে পোষন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে? মনমোহন সিং থেকে প্রনব বাবু নরেন্দ্র মোদি সবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হয় মমতা দিদির ভেটো তে। ২০১৫ তে প্রধানমন্ত্রী মোদির সাথে বাংলাদেশে এসে একটা সিনসিয়ার কমিটমেন্টের কথা হলো, তিনি পিছিয়ে গেলেন? খারা মৌসুমে জল আটকানো এবং বর্ষার সময় জল ছেড়ে বন্যা তৈরি তে ২০২০ সালে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ! একটা বছরের হিসাব দিলাম। এটা ভারতের জনগন বুঝলে তারা ও মেনে নিবেন না। এটা কোন দয়া না, আইন। যৌথ নদী প্রবাহের জল উভয় দেশ সমান শেয়ার পাবে। এক সময়
বাংলাদেশ কে ১৩০০ নদীর দেশ বলা হতো তার ৫৪ টা অন্তঃ সীমানা নদী যার উৎপত্তি স্হল ভারত। মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমাতি, ধরলা, দুধ কুমার ইত্যাদি —-
বাংলাদেশ কে চীনের প্রস্তাব আছে তিস্তা কে জলাধার করে দিবে এবং এক বিলিয়ন ডলার লোন ও দিবে।
এই জলাধার করলে ভারত বন্যা কবলিত হবে, আসাম পশ্চিম বাংলা জলে হাবুডুবু খাবে প্রতি বছর যা হয়তো রাজ্য সরকার যোগবিয়োগ বোঝেন না
এজন্য বাংলাদেশ সেই প্রস্তাব টা নেয় না, চেয়ে আছে ভারতের দিকে মমতা দির নিশ্চয় একদিন মন সুন্দর হবে, বুঝবেন কারিগরি বিষয় টা!
তিস্তায় জলের অভাব তা কিন্তু না! তিস্তার জল “গজল ডোবা” বাঁধ তিনি বর্ষায় ছেড়ে দেন আবার খরা মৌসুমে আঁটকায় দেন, জলপাই গুঁড়ি আসাম সেতু দোমোহনী সেতু ধরলা নদীতে ৫০০ কিউসেক জল এসে তিস্তায়
পড়ছে। তিস্তার জল মমতা দি সরায় নিচ্ছেন বাংলা বান্ধার ওপারেই শিলিগুড়ি শহর, শহরের দক্ষিণ দিয়ে জল সরিয়ে নিচ্ছেন মহানন্ধা ব্যারেজে Ref : আর্টিকেল নদী প্রকৌশলী ইনামুল হক!
প্রিয় পাঠক, তিস্তার দূঃখের কারন স্বজাতি আপনজন
রাজ্য সরকার, ভারত সরকার নয়!
কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এমনি একদিন অধৈর্য হয়ে চীন মুখী প্রজেক্টে হাত দিলে তখন আপনারা শুনতে পাবেন বাংলাদেশ সরকার ভারত বান্ধব না!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশেকে ভালোবাসেন।
স্বর্গ নরক নিজ সারাজীবনের কর্মফলে বিচার হবে, সৃষ্টি কর্তার পাহাড় সমান গোনাহ করলে তার ক্ষমা পাওয়ার সম্ভাবনা নব্বই শতক কিন্তু মানুষের মনে সরিষা পরিমান কষ্ট দিলে তিনি ক্ষমা না করলে আল্লাহ /ভগবান তা ক্ষমা করেন না (আল কুরআন)!
বিন্দু পরিমান হিংসা গর্ব অহমিকা অবৈধ আয় নিয়ে কবরে গেলে আপনি জাহান্নামী, আল কুরআন। চুরি ডাকাতি অবৈধ আয় মিথ্যা বলে হজ্ব উমরাহ্ করলে কোন গোনাহ মাফ হয় না। অহেতুক পয়সা খরচ। মেয়ে বউ বোন দিয়ে দেহ ব্যবসা করায় পদে উঠছেন, ক্ষমতা শক্তি কিনছেন আর হজ্জব্রত পালন করে বেহেশতের সনদ নিচ্ছেন, ভুল!



