কলমে ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ১৭.০৪.২০২৪
হে আমার প্রেয়সী –
তোমায় অনেক, অনেক, অনেক ভালবাসি !
তুমি আমার শিশির সিক্ত দূর্বাঘাস
তোমায় স্বরি, রাতদিন বারো মাস!
তোমার মুখচ্ছবি যেন পূর্ণিমার চাঁন,
সদ্যস্নাত ঝর্ণার কলতান
পাহাড়চূড়ায় ঝিকমিক রৌদ্রময় আলেয়া,
মরুদ্দানের মরীচিকা তুমি
কুয়াশায় ঢাকা দিক বলয়!
বৃষ্টির রিমঝিম গগনবিহারী বজ্রপাত
তোমার চাহনিতে বজ্রখেলে ফিরিয়ে নিলে পাই আঘাত!
তুমি রূপকথার সেই অপ্সরা
দাও দেখা না দাও ধরা!
তুমি কল্পনার সেই তিলোত্তমা,
মায়ের গল্পের সেই নীলপরি ;
তুমি ললনার হাতের চুরির রিনঝিন
ঝর্ণার সিঞ্জন ধারার কলতান!
তুমি নবাব সিরাজুদ্দৌলার লুৎফু নেছা
তার সূরার শাকি, বুকে ধরাও নেশা,
শাহজাহানের মমতাজ, আগ্রার তাজমহল
তুমি মজনুর লাইলি, ফরহাদের শিরি,
দেবদাস-এর পার্বতী
চণ্ডীদাসের রজকিনী,
রামের সীতা, ইউসুফের জুলেখা
আজ-ও তাদের ইতিহাস আছে লেখা!
তুমি শত পদ্মফুল, হাস্নাহেনা বকুল
তুমি নাটোরের বনো লতা সেন,
তুমি হরিন লোচন,পূর্নিমার চাঁদ
পটলচেরা আঁখি যেন পাতা ফাঁদ!
তুমি রজনী গন্ধা নাকি ফুটন্ত গোলাপ,
কৃষ্ণচূড়ার লাল নাকি বেলীর সৌরভ?
সূর্যমুখীর হলুদাভ,
তুমি সমুদ্রের কল্লোলিত ধ্বনি,
প্রকৃতির সবুজ ছায়া নাকি প্রাতঃকালের রবি ?
তুমি হীরা, মুক্তা, গোমেদ না পোখরাজ,
তুমি বাংলা থেকে চুরি করা বৃটিশ যাদুঘরে রক্ষিত ‘কোহিনূর’!
তুমি মেদিনীর বুকে সৃষ্টিকর্তার তিলতিল করে নেয়া সব সৌন্দর্যের সমষ্টি,
তৃপ্তি পেতেই তোমায় পাওয়া —
শতবছরে ও হবে না পূরণ
আমার খর রৌদ্রের তাপিত মরু হৃদয়ে
তোমায় কাঙ্ক্ষিত চাওয়া!
হে আমার প্রেয়সী –
মিটাও বহুকাঙ্ক্ষিত সব সাধ, সব জ্বালা
আমার “আতাকামা মরু” হৃদয় আসি !!
ক্যাপশন ঃ
নায়িকা —
গায়িকা, নায়িকা, অভিনেত্রী, বাদক, গৃহীনি আবৃত্তিকার “চন্দ্রা ঝা মিশ্র (মালদাহ) মাই বিলাবেড সিস্টার।



