রুহুল আমিন, নিজস্ব প্রতিবেদক
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি বাড়তি চাপ তৈরি হয় ফলের বাজারে। সারাদিন রোজা শেষে ইফতারের আয়োজনে নানারকম ফল স্থান পায়। তবে এবার রমজানে সেই ফলের বাজারেও স্বস্তি নেই। তরমুজ থেকে আপেল সবকিছুতেই যেন ‘আগুন’। শনিবার (২৩ মার্চ) কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদর বাজার ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি আপেল মানভেদে ২৩০ থেকে ৩১০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি ছোট কমলা ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বড় কমলা কেজিপ্রতি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি ডালিম ৩২০ টাকা, আঙুর ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা, কালো আঙুর ৪০০ টাকা, মাল্টা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পেয়ারা ৬০ টাকা, প্রতি হালি কলা ২০ থেকে ৮০ টাকা এবং প্রতি পিস মাঝারি সাইজের তরমুজ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ছোট আনারস প্রতি পিছ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
ফল কিনতে আসা আবু ছালেক মিয়া বলেন, বৃদ্ধ মা রোজা রাখেন। মা প্রতিদিন একটু আপেল খান ইফতারে। বাচ্চারাও আপেল পছন্দ করে। কিন্তু ফলের যে দাম তাতে আর কিনে খাবার উপায় নেই। আনার, নাশপাতি, আঙুর যা কিছুই কিনতে যাই অনেক দাম। ফল কিনতে আসা সজীব হাসান বলেন, প্রতিটি জিনিসেরই দাম অনেক বেশি। রমজানে দাম কমানোর বদলে বেড়ে যায়। সবকিছুর দামে যেন আগুন। মানুষের আর কিছুই কিনে খাবার উপায় নেই।
তাড়াইল সদর বাজার মাদরাসা মার্কেটে ফল বিক্রেতা দ্বীন ইসলাম বলেন, ফলের দাম আসলেই অনেক। অনেকে ফল দেখে দু’একটা নেন। বেশিরভাগ মানুষ এক কেজি নিতে সাহস পান না। রমজানে ফলের দাম একটু কমলেই ভালো। আমরা যেমন দামে কিনি তেমন দামেই বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, সবকিছু আসলে আড়ৎদারদের হাতে। তারাই দাম কমায় কিংবা বাড়ায়। এখানে আমাদের হাত নেই। আমরা ছোট ব্যবসায়ী, আমাদের বলে লাভ নেই।

