তাড়াইলে অর্ধেকে নেমেছে তরমুজের দাম তবুও ক্রেতা কম

0
42

 

রুহুল আমিন, নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে তরমুজের চাহিদা অনেক বেশি থাকলেও কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে অর্ধেক দামেও ক্রেতারা কিনছে না তরমুজ। রমযানের শুরুর দিকে তরমুজের আকাশচুম্বি দামের ফলে নাকাল ছিলো সাধারণ মানুষ। ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও পরিবার নিয়ে তরমুজ খাওয়ার সুযোগ হয়নি নিম্ম-মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনসহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের।

রমযানকে উপলক্ষ করে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার আশায় অপরিপক্ক তরমুজ বাজারজাত করেন। অনেক ক্রেতাই সে সময় বেশ চড়া দামে ৮০ টাকা কেজি দরে তরমুজ ক্রয় করলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী সেই কালার ও মিষ্টি না আসায় ঠকেছেন। এ ক্ষোভ থেকেই তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং তা ভাইরাল হয়। এ সময় স্লোগান উঠে অন্তত এক সপ্তাহ তরমুজ না কিনে সেইসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিরব প্রতিবাদ জানানোর।

শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সরেজমিন দেখা যায়, গত সপ্তাহেও যে তরমুজটি ৪০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেটি এখন ১০০-১৫০ টাকায় বিক্রি করলেও ক্রেতা নেই বললেই চলে। দেশের অন্য সব জেলা-উপজেলায় রমযান উপলক্ষে কেজি মাপে তরমুজ বিক্রি রোধে

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে প্রশাসন। কিন্তু তাড়াইল উপজেলা প্রশাসন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্বেও বাজার মনিটরিং করছে না বলে অভিযোগ জনসাধারণের। জনসাধারণের সাথে কথা হলে তারা অভিযোগের সুরে বলেন, অসাধু তরমুজ ব্যবসায়ী সহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের ব্যবসায়ীদের জরিমানাসহ সতর্ক করা অতীব প্রয়োজন।

কথা হয় তরমুজ ক্রেতা রোকসানা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানান, শিশু নাতি শান্তকে ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে নাতি বায়না ধরে তরমুজ খাবে। শুনেছি এখনো এসব পরিপক্ক না হওয়ায় সুমিষ্ট না। তারপরও নাতির আবদারে ১৬০ টাকা দিয়ে একটি কিনলাম। উপজেলা সদর বাজার মাদরাসা মার্কেটে তরমুজ বিক্রেতা রুস্তম আলী জানান, রমজানের শুরুতে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করলেও এখন তা অর্ধেকে নেমে এসে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here