সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২৬

ভারতীয় পণ্য বর্জন

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ২৯.০৩.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

২০২২ – ২৩ সালে ভারত থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে। রপ্তানি হয়েছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার। কিছু গোবর মস্তিষ্কের লোক এদেশের বাসিন্দা আছে তারা ভারতের পণ্য বর্জন শ্লোগান তুলছে।

আরে ভাই যাদের পেয়াজ কাচা মরিচ আমদানি না করে হাজার টাকা কেজি হয়ে যায় তাদের এসব ভান্ডামি মানায় বলুন? তার মানে ভারত থেকে নিও না ইংল্যান্ড থেকে আনো! তা হলে কেজি মূল্য পড়বে ভারত থেকে আমদানি চেয়ে ৪/৫ গুন। পাকিস্তান ভারত বাংলাদেশ চীন নেপাল ভূটান ক্লোজ কান্ট্রি গুলোর যতদূর সম্ভব সাউথ এশিয়ার দেশ গুলো থেকে হেভি ইকুয়িপমেন্ট যুদ্ধ অস্ত্র ছাড়া বাইরে যাওয়া উচিত না। “পাকিস্তানের ইমরান খান ” এটা বুঝেছিলেন। পাক সেনারা ভারত বর্জন পক্ষে ফলে আটার কেজি ৬৩৬ টাকা হয়।

 

গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে “ফ্রী ইকোনমির বিশ্বে বর্জন বলে কিছু নাই!” যার মাল উৎকৃষ্ট তার টা কিনো, যার মাল আনতে ক্যারিং কষ্ট কম তার মাল কিনো। হাসিনা সরকার ভারতকে ফেবার করে এমন জনগনকে বুঝাতে এসব “ভারত পণ্য বর্জন” শ্লোগান, তাইতো?

১. চীন থেকে ২০২২- ২৩ আমদানি ২৫% (২২/২৩ বিলিয়ন) ভারত থেকে ১২% মোট আমদানির, চীন পণ্য বর্জন বলেন না কেন? মোনাফেকের জন্য বেহেশতের দরজা বন্ধ।

২. আপনার দেশের রপ্তানি আমদানি থেকে কম এ জন্য যে আপনার তৈরি পণ্য কম, কাঁচা মরিচ পর্যন্ত উৎপাদন নাই। ৭৫ হাজার কওমি মাদ্রাসায় প্রতি বছর ১৪ লাখ শিক্ষিত মানুষ বের হয় তারা বিজ্ঞান কৃষি অর্থ ফিলোসফি বাইওলজি পড়ে না, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার নার্স কৃষিবিদ ফিশারি তৈরি হবে না, শাপলা চত্বর ঘেরাও করাতে পারবেন! আগামী তে রিকসা ভ্যান চালক ও ভারত চীন নেপাল থেকে আমদানী করতে হবে।এসব সো কল্ড শিক্ষিতরা তো ভ্যান চালতে ও পারবে না মদিনার রুমাল আর সাদা জামায় আটকে মরবে! এখনকার ভ্যান ও মটর চালিত।

 

প্রিয় পাঠক, এদেশের উন্নতি হবে না যতদিন মোনাফেক আর মিথ্যা বুঝানো লোকের উপর embargo দেয়া না হবে এবং মিথ্যা বুঝানো লোকগুলো কে আদালতে দাড় না করা হবে!

 

৩. কই হাসিনা সরকার তো সেতু বানাতে চীন, মাতারবারী গভীর সমুদ্র বন্দর বানাতে জাপান, অর্থাৎ ভারতকে চয়েজে নেন নাই। সমুদ্র সম্পদ অনুসন্ধানে আমেরিকা, তেল রিফাইনারি করতে সৌদি আরব, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রাশিয়া, পাতাল রেল মেট্রোরেল জাপান! কোথায় ভারত, ভারত তো পাতাল রেল এক্সপার্ট কিন্ত অধিকতর আর্থিক ও কারিগরি সুবিধা পেতে জাপান কে দেয়া হয়েছে।

 

টিভিতে যিনি “ভারত শুধু নিচ্ছে দিচ্ছে টা কি” আমার এ লেখা তার মুখে ঝাটার বাড়ী পড়বে ইনশাআল্লাহ।

ভারত তিস্তায় দায়ী তা আমরা রোজ লিখছি এবং সরকার ও চীনকে দিয়ে রিজার্ভার সিসটেম করতে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত ৯৫%, ভারত কে সুযোগ দিয়েছেন বন্ধুত্বের, দিদি মমতা গভীরে যেতে পারলেন না যার জন্য ভারত সরকার ব্যর্থ হলো ফলাফল রিজার্ভার হলে পশ্চিম বাংলা মমতা দিদিকে বছরে ৬ মাস জলের নিচে থাকতে হবে তা বোঝার জন্য অনেক বড় লেখক ইঞ্জিনিয়ার রাজনৈতিক নেতা হওয়ার দরকার নাই। উনার “গজল ডোবা বাধ” উনার ই বুমেরাং হয়ে “গজব” হবে, দিল্লি সরকার ভুক্তভোগী হবে না!

 

 

মাতার বাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর অর্থায়নে জাইকা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত