কলমে ঃ দেবিকা রানী হালদার।
তাং ঃ ০৩.০৪.২০২৪!
সুখী জীবন স্বপ্ন দেখা এক বিলাসিতা জীবনে
ভালোবেসে ঘর বাঁধা সবার হয় কি কোনোখানে?
সবাই আমার মতো স্বপ্নে দেখে
ঘাত-প্রতিঘাত খেয়ে প্রণয় শেখে!
তবুও ভালবাসা সবার জীবনে এক অতৃপ্ত বাসনা
চায় না কারো প্রণয় এমন এ ধরায় মেলে না,
পেলেও ঘাটতিতে কাঁদে জীবন ভর
বিশ্বাস অবিশ্বাস ভুলবোঝাবুঝি কাটে সংসার!
ধনী গরীব ধর্মবর্ণ ভালবাসায় বিষন্নতায় ভোগে
ষোড়শী যা নিয়ে কাঁদে ষাটোর্ধ ও কাঁদে একই শোকে,
ভালোবাসার ঘাটতি কারো পূর্ণ হয় না কোন কালে
এ অভিযোগ নাতি-নাতনির কাছে ও বলে!
তোর দাদু অনেক ভালোবাসতো
কিন্ত অফিস থেকে রোজ দেরি করে আসতো,
পুরুষ মানুষ কোথায় কারে নিয়ে করে ফূর্তি
নারী আমি, ঘরে বানায় রেখেছে এক মাটির মূর্তি!
কিন্তু আমি সীতা নই ঝাঁসির রানী
সব খবর পুরুষ কর্ম, সব আমি জানি,
দেখিস না এখন ও করে মেও মেও
কি জানি এতো আদর দিলো হয়তো আমি ছিলাম ফাও!
কতজনে তাকে বাসতো ভালো
এই একটা দিক তার আজীবন কালো,
আহ্ দিদা, অন্যে ভালো বাসলে দাদার কি দোষ
চুপ থাক, পুরুষ মানুষ তাই কেউটা সাপের মতো করতে হয় ফোস!
শাসনে রাখবি সারাজীবন চোখে চোখে
দূর দিদি, অবিশ্বাসে ভালোবাসা হয় না, জীবন কাটে দূঃখে!
সুন্দর জীবন নারী আমরা, করে দেই হেল
কেউ করে আত্ম হত্যা, অপরাধে জড়ায়ে পুরুষ খাটে জেল।
হায়াত থাকতে মরে সহস্র পুরুষ অপঘাতে
সুখের বদলে ঘরে ফিরলেই মাততে হয় ঝগড়াতে,
হোক বিশ বছর বয়স বা ষাটোর্ধ দু’জন
এজন্য পুরুষের আগে হয় মরণ!
অফিস বাসা ব্যবসা প্রবাস শান্তি মেলে না কোথা
মৃত্যু ই পুরুষের শান্তি, ভগবান নিজ চোখে দেখেন যেথা!
সন্তান সহধর্মিণী মা ভাইবোন কারো হয় না সে যোগ্য
কেউ ভালোবাসে না সবাই শুধু হয়, তার সারাজীবনের যতটুকু আয়, তার ভোগ্য!



