!
লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৬.০৪.২০২৪
ইরান নিজস্ব প্রযুক্তি ও মেধা দিয়ে তৈরি করেছে “বাফার ৩৭৩” যা আমেরিকার প্যাট্রিয়ট মিশাইল ও রাশিয়ার
S 300 সমান। ১৭ ই এপ্রিল তেহরান এই সংস্করণ প্রকাশ্যে আনে, পরীক্ষা চালায়! বিশ্ব পরমানু বিজ্ঞানীরা অবাক। মার্কিন শুধু অবাক হয়ে ক্ষান্ত হয় নাই নিষেধাজ্ঞা নতুন করে প্রয়োগ করেছে!
বাভার ৩৭৩ আকাশ গামী ভুমি থেকে ৭৫ মাইল উচ্চে উড়ান্ত বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে সক্ষম! আরো আশ্চর্যের কথা এমন সফটওয়্যার বসানো যার Searching power এমন যে মার্কিন বায়ু সেনা F 35 ও
F 22 যুদ্ধ বিমান খুঁজে বের করে নিশানা করতে পারে!
প্রিয় পাঠক, বিশ্বে ৮০০ কোটি ৭ লক্ষ মানুষ গত ২০২২- ২৩ আদম শুমারী মতে! ৪৩০০ ধর্ম অনেক ধর্ম বিলুপ্তির পথে। ৭১০০ ভাষা, অনেক ভাষা বিলুপ্তির পথে। এই বিশাল পৃথিবীর ধর্ম বর্ণ ভাষা বৈষম্যের নানা মুণির নানা মতে ২০০ কোটি মাত্র মুসলমান তার আবার ১০০ কোটি নারী, যাদের হাত-পায়ে বেড়ি। এই ১০০ কোটি মুসলমানের ভিতর আছে শিয়া সুন্নি হানাফি কাদিয়ানির মত শত ভাগ অনেকটা সাপ বেশি সম্পর্ক!
সুন্নিদের ভিতর শিক্ষা পদ্ধতি আবার দারুন পিকুলিয়ার!
কওমি আলীয়া ধর্মীয় শিক্ষা দারুন দুই মেরুর। কওমি ছাত্র বেশি এবং তারা ছাত্র অবস্হায় ই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলে “হেফাজতের” সমর্থক হতে বাধ্য শিক্ষা পদ্ধতি ই এমন! এ শিক্ষা পদ্ধতি মনে করে ইতিহাস ভূগোল ইংরেজি বিজ্ঞান সাইকোলজি ম্যাথ ডাক্তারি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার কোন মানে হয় না কারন দুনিয়ায় মানুষ দু’দিনের মেহমান। তাদের জন্য বেহেশতে এতদিনে ঘর তৈরি হয়ে গেছে। নারী শিক্ষা দারুন গোনাহের কাজ , নারী তেতুলের মত পুরুষের জিহ্বায় নারী দেখলে জল আসবেই অতএব এই ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ও হাতমোজা পামোজো সহ কালো কাপড়ে মুড়লে পুরুষের ৫০% বেহেশতে কনফার্ম হয়ে গেলো! বাকী নবী করীম সঃ ইনতেকালের ২০০ বছর পর তৈরি হাদিসে বর্ননা (অনেক কুরআন সাংঘর্ষিক) তারা অনুসরণ করেন। অমুক দোয়া পড়লে বেহেশতের আট টা দরজা খুলে যায়, নারী ব্যবহার কিছু পদ্ধতি তারা ওয়াজে বর্ননা করেন যাতে কয়েক শত বছরের সোয়াব, কবরের আজাব দোজখের ভয়াবহতা বর্ননা করে ওয়াজ করেন কিন্তু তারা নিজেরা তা বিশ্বাস করেন কিনা কারন সন্তান উৎপাদনে তারা সেরা! এসব আজাব ও শাস্তির ভয়াবহতা শুনলে এবং বিশ্বাস করল পুরুষ মর্দামি চিরতরে এই তেতুল কালো কাপড়ে ঢেকে পাহারা দেয়া লাগে না।
প্রিয় পাঠক, ইরান যে কুরআন অনুসরণ করে আমরাও সেই কুরআন অনুসরণ করি। তা হলে ইরান আমেরিকার চোখে চোখ রেখে কথা বলে পারস্য সাগরে সদা মার্কিন সাবমেরিন টহল থাকা সত্ত্বেও। ইসরায়েল কে প্রতিশোধ নেয় ফিলিস্তিন স্বাধীনতার প্রশ্নে সেখানে আমাদের এইসব মুসলমান রা মার্কিন রাস্ট্র দূত পিটার হাস কে ভগবান বলে তেল মর্দন কেন করেন? কারা মুসলমান, আমরা না ইরান? ৩ কোটি কুর্দি মুসলমান দেশ হীন, তাদের মুক্তির পিছে লড়ে যাচ্ছে ইরান, ফিলিস্তিনের ৫/৬ মিলিয়ন মুসলমান রোজ ইসরায়েলের পেয়ালায় রক্ত চা পান হয় তাদের পিছে সাহস ইরান, তা হলে আপনি আমি কি মুসলমান?
কুর্নিশ তোমায় হে ইরান
তোমরাই খাঁটি কুরআনের মুসলমান,
আমরা ভন্ড, ক্ষমতা দখলই আমাদের ঈমান
তাই পিটার হাঁস কে ডাকি ভগবান !
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন।
ইরানের সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন।



