লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৫.০৫.২০২৪
মিন্টু রোডের গোয়েন্দা অধিদপ্তরের অনেক সফলতা ব্যর্থতা আছে! সফলতা ব্যর্থতা আছে বিশ্ব বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার! মার্কিন সিআইএ ৬৩৫ বার কিউবার ফিদেলকাস্ত্রো কে মারার পদক্ষেপ কিউবার গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যর্থ করে দিয়েছে! বাংলাদেশে জাতির জনক কে হত্যা পরিকল্পনায় মার্কিন রাস্ট্র দূত সহ মোস্তাক, মাহবুবুল আলম চাষী তাহের ঠাকুর ওবায়দুর রহমান কম পক্ষে পঞ্চাশ বার সিটিং দিয়ছে বাংলাদেশ গোয়েন্দা, এনএসআই
সিআইডি আর্মি ইনটেলিজেন্স ডিএফআই (বর্তমান নাম ডিজিএফআই) কেউ কিছু জানে না! এ কলঙ্ক জীবনে ও মোছা যাবে না! ঐ সময়কার মোটা বেতন খাওয়া “আঃ রউফ” ছিলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা প্রধান যিনি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তান সরকারের চাকুরী করেছেন এবং জিয়ার প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন, জিয়ার সাথে সখ্যতা জিয়া ক্ষমতায় এলে ও দৃষ্টিগোচর হয়েছে! রউফ ছিলেন স্বাধীনতার পর যে সব জঙ্গি সংগঠন ছিলো তাদের একজন সংগঠক ” অর্কের” দাদা! রউফের ছেলে সেনা নিবাসে অস্ত্র সরবরাহ ঠিকাদার ছিলো এবং পোতা অর্ক ছিলো সেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আবার সরকার বিরোধী গোপন জঙ্গি দলের সংগঠক! জঙ্গি ধৃত অপারেশনে অর্ক কল্যানপুর মারা যায়!
প্রিয় পাঠক, আমার বিষয় গোয়েন্দা রিমান্ডের পর নৃশংস হত্যার বর্ননা পত্রিকায় প্রচার না করে Conceal করা উচিত নয় কি? ঝিনাইদহের তিন বারের সাংসদ “আনোয়ারুল আজীম আনার” হত্যা হয়েছেন দারুন নৃশংস ভাবে, টুকরো করেছে লাশ এবং হলুূদ মাখানো হয়েছে লাশ সনাক্ত করতে না পারে সেজন্য, এ বক্তব্য গোয়েন্দা থেকে পত্রিকা মারফত জানা!
কোন এক সময় মাত্র এক বিঘা জমির জন্য পুরা পরিবার (বৃদ্ধ যুবতী কিশোর শিশু) নৌকায় তুলে মাঝ বিলে হত্যা করে একজনের সামনে অন্য জনকে আস্ত লাশ বড় বড় ড্রামে ভরে চুন দিয়ে ভিজায়ে রাখা হয়েছিলো সম্ভবত জিয়া/ এরশাদ আমলে। মাস পর গভীর বাগানে লোকে সেই হিন্দু পরিবারের পাঁচ সদস্যের পাচটা কঙ্কাল পায় পাঁচ টা বড় ড্রামে! ঘটনার নায়ক তাজুল পালিয়ে দাড়ি-টুপি তে আলেম ওলামা হয়ে তবলীগ বড় খেদমতগার হয়ে যান এবং প্রায় বছর পনের পর কাকরাইল মসজিদে ধরা পড়েন
ছদ্ম নামের ধার্মিক ব্যক্তিটি! গোয়েন্দা সংস্থা এ মামলা হাতে নিয়ে দফারফা করেছিলেন বড় বুদ্ধি মত্তা খাঁটিয়ে কিন্তু হত্যার নিষ্ঠুরতম দিকটা ও প্রচার করেছিলেন তাজুলের স্বীকারোক্তি নিয়ে। এমন নিষ্ঠুরতম কর্ম শুনে কোন কিশোর বা যুবক থ্রিল অনুভূতি তে খুনি জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়ায় যেতে পারে!
উল্লেখ্য, তাজুলের ফাঁসির সময় নাকি তার কল্লা ছিড়ে লাশ ফাঁসির কূপে পড়ে গিয়েছিল! এমনি কল্লা ছিড়ে গিয়েছিল “কালীগঞ্জের ইমদুর” যিনি জিয়া সৈনিক ছিলেন এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা করে মাথা দিয়ে নদীর চড়ে ফুটবল খেলতো! বিএনপি সরকার বিচারপতি সাত্তারের ক্ষমতা যাওয়ার জন্য ইমদু একটা বড় কারন ছিলো, এরশাদের ক্ষমতা নেয়ার এমন বেশ কিছু অরাজকতার মধ্যে ইমদু উপখ্যান অন্যতম ! এরশাদ নিজ উদ্যাগে তাকে গ্রেফতার করান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী কাসেমের সরকারি বাসভবন থেকে! এরশাদ ক্ষমতা নিয়ে নেন রাস্ট্রের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সাত্তার অপারগ ধোঁয়া তুলে।
ইমদুর কাটা মাথা ও নদীর চরে বল খেলা বাংলাদেশ টেলিভিশনের “যদি কিছু মনে না করেন” অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধেয় ফজলে লোহানী শো করেন চাদরের উপর মানব মুন্ডু যা ছিলো ইমদুর ফুটবল!
প্রিয় পাঠক, ফতেহ লোহানীর বড় ভাই ছিলেন ফজলে লোহানী সিনেমা ও নাটকের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা। ফজলে লোহানীর ‘অনুষ্ঠান সহকারী ইঞ্জিিঃ হানিফ সংকেত’ সেই অনুষ্ঠান ই “ইত্যাদি” নামে চালাচ্ছেন দীর্ঘ দিন যা আপনারা উপভোগ করেন! যদি কেউ এতটুকু আশা সিনেমা দেখে থাকেন তা হলে ফাতেহা লোহানীকে পাবেন, ফাতেহা ও ফজলে লোহানী দুই ভাই ই হার্ট ফেইলে মৃত্যু বরন করেছিলেন!



