বুধবার, মার্চ ১৮, ২০২৬

বাঘে ঘাস খায় না

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ৩১.০৫.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

নবাব সিরাজুদ্দৌলার হত্যার পর তার লাশ শহরে বাজারে গ্রামে হাতির পিঠে রেখে ঘুরানো হয়েছিলো!১৭৫৭ সালে প্রধান সেনাপতি মীর জাফর হাজার ৩০/৩৫ সৈন্য ঠায় দাড় করায় রেখে ইংরেজের মাত্র ৩ হাজার ৫০০ সৈন্যর কাছে পরাজয় বরন করায় দিলো পলাশীর আম্রকান যুদ্ধের ময়দানে!লর্ড ক্লাইভ তাকে নবাব হিসাবে সিংহাসনে বসালো! নবাব সিরাজুদ্দৌলার ছোট ভাই মির্জা মেহেদী কে হত্যা করা হল নির্মমভাবে! তার পরিবারের নিরাপরাধ প্রায় ৭০ জন নারীকে শিশু কে নৌকা ডুবিয়ে হত্য করা হলো! বাকীদের বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছিলো! কারো কারো ভাগ্যে কবর জুটলো খুশ বাগে!

 

সবাইকে হত্যা করা হলে ও নবাবের একমাত্র কিশোরী কন্যা জোহরা ও সহধর্মিণী লুৎফুন্নেছা কে প্রথম দিকে মুর্শিদাবাদে বন্দী রাখা হয়! মীর জাফর ও তদ্বিয় খুনি পুত্র মীরান আলাদা আলাদা ভাবে লুৎফুন্নেছা কে শাদির প্রস্তাব দিলে নবাব সিরাজুদ্দৌলার সহধর্মিণী বলেছিলেন, “বাঘে ঘাস খায় না”, তথ্য — ইংরজ ইতিহাসবিদ)”! ইতিহাস বিদ সৈয়দ গোলাম হোসেন বলেছেন, ” নবাব সিরাজুদ্দৌলার পত্নী বিয়র প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, “হাতির পিঠে চড়া মানুষ গাধার পিঠে চড়ে না!” পরবর্তী তে নবাব পত্নী কে ঢাকার জিন জিরা প্রাসাদে দীর্ঘ দিন মা-মেয়ে কে বন্দী রাখা হয়!

 

প্রিয় পাঠক, মীর জাফর আলি খাঁ কে লর্ড ক্লাইভ যখন নবাবের কুরসি তে বসতে আহ্বান করেন, মীর জাফর লর্ড ক্লাইভ কে বলেছিলেন, “আসুন সাহেব এক সাথে বসি!” এরপরে মীরজাফর তার ইংরেজ মান্যগন্যদের টেবিল ভাষনে বলেছিলেন, “প্রিয় ইংরেজ ভাইয়েরা, আপনারা সাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা বানিজ্য করেন, কোন ভয় পাবেন না, শত্রু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে!” লর্ড ক্লাইভ তার এই বাক্যের পরে স্পষ্টেই বলেছিলন, “ভয় পাবো কেন, যে দেশের নবাবের প্রধান সেনাপতি বিশ্বাসঘাতক সে দেশে ভয় পাবার কিছু নাই”!

 

টিপু সুলতান যখন তার তরবারির আঘাতে ইংরেজ প্রায় খতম করে ফেলেছেন, জয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন তার প্রধান সেনাপতি “মীর সাদিক” বিশ্বাসঘাতকতা করে টিপুকে হত্যায় সাহায্য করে! এমনি যুগে যুগে বিশ্বাসঘাতক বেঈমান দ্বারা স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছে! মুজিব হত্যার সামরিক ষড়যন্ত্র কারী ছিলেন তার উপ সামরিক প্রধান এবং দেশের ক্ষমতায় এসে তিনিই বাংলাদেশ কে মুক্তি যুদ্ধের চেতনা মুছে দিয়ে

আইএসআই এর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে গেছেন যার জন্য এদেশের ২০২৪ সালে এসে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মেট্রোরেল কর্ণফুলী টাওয়ার, পদ্মা ব্রিজ, পাতাল ট্রেন দেখতে হয়, যা হতে পারতো ১৯৮০/৮১ সালে! রাশিয়া তখন ই উন্মুখ ছিলো এমন কিছু করার, আজ হয়তো আমরা পারমাণবিক বোমার অধিকারী হতাম পাকিস্তান বা ইরানের মত!

 

বাংলা বিহার উড়িষ্যাার হতভাগা নবাব সিরাজুদ্দৌলার স্ত্রী লুৎফন নেছা!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত