নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের উপ- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম প্রার্থী হিসেবে কামরুল হোসেন কে মনে করছেন ইউনিয়নবাসী। উপজেলা ব্যাপী এবং ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠে তিনি সবার পরিচিত মুখ। এলাকার যে কোন মানুষ সমস্যায় পড়লে ছুটে যান তিনি। ইউনিয়নের সকল বয়সী ও শ্রেনী পেশার মানুষের পরিচিত ও আপনজন হয়ে সবসময় সুখে দুঃখে পাশে থেকেছেন তিনি।
কামরুল হোসেন করেরহাট ইউনিয়নের ভালুকিয়া গ্রামে ১৯৭৯ সালের ৩রা জুন সম্ভ্রান্ত সৈয়দ ভূঁইয়া বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম তোবারক হোসেন
ও রাশেদা আক্তার এর ঘরে জন্মগ্রহণ করে। মরহুম তোবারক হোসেন ছিলেন ৩ বারের নির্বাচিত বিআরডিবি চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগ (২০০৯-২০১৪) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
উল্লেখ্য, কামরুল হোসেন এর বংশে আছেন ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার জেঠা মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন ( প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক,মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগ ১৯৬৪-১৯৬৬ইং), খালু বীর উত্তম মরহুম মাঝহার উল্লাহ, বড় মামা মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নাসির উদ্দীন, মেঝো মামা মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ উদ্দিন আহমেদ, সেজো মামা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মরহুম শামসুদ্দীন আহমেদ।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুল হোসেন বর্তমান মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া করেরহাট গণিয়াতুল উলুম হোসাইনিয়া আলীম মাদ্রাসার সভাপতি, করেরহাট বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিরসরাই শাখার উপদেষ্টা, উদয়ন ক্লাবের উচ্চ পরিষদের সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন।
সামাজিক ও মানবিক কাজের পাশাপাশি তিনি একজন তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন। তিনি ১৯৯২-১৯৯৪ ইং সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মিঠানালা রাম দয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে। ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে বারইয়ারহাট ডিগ্রি কলেজের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, ১৯৯৮-২০০১ সালে বারইয়ারহাট ডিগ্রি কলেজের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৮-২০০১ সালে মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০০১-২০০৬ সালে মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, ২০০৫-২০১১ সালে ১নং করেরহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি, ২০১০-২০১৯ সালে ১নং করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও ধর্মীয় কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান, রাস্তা ঘাট সংস্কার, ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা, খেলাধুলার প্রসারে সহযোগিতা, গরীব দুঃখী মেয়ের বিয়েতে সহযোগিতা ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মানবীয় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
রাজনৈতিক জীবনে দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় বিএনপি-জামাত জোট সরকারের হাতে লাঞ্চিত হয়ে ১১টি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় তিন বার ১১ মাস কারা বরণ করেন। তার পাশাপাশি ১৯৯৬ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন ও দেশ পরিচালনার শুরু থেকে বর্তমান মেয়াদকাল পর্যন্ত বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সংকটে এবং মহামারী (কোভিড-১৯) সহ সকল ক্ষেত্রে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর একজন অনুসারী হিসেবে ১নং করেরহাট ইউনিয়ন তথা উপজেলা ব্যাপী ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে দল ও সরকারের সাথে থেকে যথাসাধ্য সহায়তা করার চেষ্টা করেন। অসহায় ও রাজনৈতিক কর্মীদের আইনি সহযোগিতা প্রদান করে কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।
আসন্ন করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুল হোসেন বলেন, আমাদের অভিভাবক চট্টলমিত্র সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং উনার সুযোগ্য সন্তান তরুণ প্রজন্মের আইকন, মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এর হাতকে শক্তিশালী করতে এবং উনার ভিশন বাস্তবায়নে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবো। জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে তাহলে আমি এই ইউনিয়নকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। ইউনিয়ন বাসীর সেবক হিসেবে তাদের পাশে থেকে সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিব।



