লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তারিখ ঃ ০৭.০৬.২০২৪
বাংলাদেশের জিডিপি ২৯২৩ – ২৪ সালের হিসাব ৫০ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। আগের বছরগুলো থেকে ১২/১৩ % বেশি! এ যাবতের ভিতর সর্বোচ্চ।
মাথাপিছু জিডিপি ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা। অর্থ মন্ত্রী
৬ই জুন দেশের ৫৩ তম বাজেট পেশ করেন ! বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
প্রিয় পাঠক, দেশে যদি দুর্নীতি না হতো তা হলো বাংলাদেশ
বিশ্বের দরবারে অনেক উচ্চ আসনে উঠে আসতো!
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে মিলিয়ন ডলার চুরি, ১ লাখ ৭৬ হাজার ডলার জরুরি ফান্ড থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে! ৩ লাখ ডলার চুরি বিদেশ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক তদন্তে ধরতে পেরেছে! রাস্ট্র দূতের বাসভবন মেরামত করতে এমন দুর্নীতি হয়েছে যে ভবনের ছাদ নির্মাণের তিন মাস পড়েই ফেটে গেছে এবং বৃষ্টির জল পড়ছে! নির্মাণ গুনগত মান এতই খারাপ যে মোট বরাদ্দ থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ডলার গায়েব! বর্তমান রাস্ট্র দূত “ইমরান আহমেদের ” প্রশ্ন এই অর্থ গেলো কই? অভিযোগ ফাইল মন্ত্রী আঃ মোমেন খান পেয়েছেন কিন্তু অগ্রগতি নাই!
মার্কিন রাস্ট্র দূত পিটার হাসের দেশ দরদের সাথে আমাদের দেশের রাস্ট্র দূত দের চরিত্র মিলানো যায় কি? বেনজির আহম্মেদ রা বাংলাদেশ থেকে পরিবার নিয়ে চলে যান আর ওয়াশিংটনে সেই রাস্ট্র দূত নিশ্চয় বাংলাদেশে ফেরার জন্য ছাদ ফাটানো নির্মাণ করেন নাই!
ওয়াসার প্রাক্তন এমডি তাসকিন সাহেব ৭ বার নিয়োগ পেয়েছেন! তার দুর্নীতি ছিলো ওপেন সিক্রেটস মোট ১৭ বছর তিনি বহাল ছিলেন এবং অভিযোগ ছিলো তিনি বছরে ৬ মাস পরিবারের সাথে আমেরিকা কাটাতেন!
মজার কথা হচ্ছে ওয়াসা চেয়ারম্যান তার অধীনস্হ এমডির বিরুদ্ধে সচিবালয়ে দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন ! এমন ঘটনা বিরল! ঢাকা শহরের জল সরে না, ড্রেন সব বন্ধ, পঁচা জল সরবরাহ অভিযোগ কিন্তু তাসকিম সাহেব নিয়োগ বেড়েছে ৭ বার!
দেশ দলের ক্ষতিকারক তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বদনাম করা রাজনৈতিক পদের লোকগুলো সৎ হবেন না কেন, বিচারের আওতায় এসে জবাবদিহিতা করবেন না কেন?
সেনাবাহিনীর প্রধান আজিজ সাহেব বা পুলিশ প্রধান বেনজির সাহেব রা এত সম্পদ একদিনে জমা করেছেন?
ডিজিএফআইয়ের কাজ কি স্থগিত ছিলো? গোয়েন্দা সংস্থা বা দুদক কি কোন রিপোর্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে করেন নাই বা মন্ত্রণালয়ে তথা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গন কি সাক্ষীগোপাল নাকি প্রধানমন্ত্রী কে জ্ঞাত করানো তাদের কাজ?
“প্রধান বিচারপতি সিনহার” বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করতে ৮ বার সময় নিয়েছে দুদক!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী র কাছে ক্ষুদ্র লেখকের নিবেদন ঃ
১. “হাইকোর্ট” বাংলাদেশের ৮ টা বিভাগে ছড়িয়ে দেয়ার বিষয় বিবেচনা করুন! মানুষ বিচার পাবে। মামলা জট খুলে যাবে! সেই “ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ” আমলের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলুন যে কারনে সামরিক জান্তা এরশাদের এই ভালো পদক্ষেপ টা ও ভন্ডুল হয়ে গিয়েছিলো!
২. ৮ টা বিভাগে “দ্রুত বিচারকি আদালত” চালু করুন যা বন্ধ আছে!
৩. “দুদক” কে যে কারো সম্পদের তদন্ত করার শক্তি প্রদান
করুন!
৪. যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে মানুষের কে ভোট চাইতে যেতে হয় তার সচ্ছতা কেউ কালিমা লেপন করলে ক্ষমা না করার অনুরোধ রাখছি!
৫. টাকা পাচার এবং দুর্নীতির দায়ে অপরাধী দেশ ছাড়তে না পারে তার জন্য প্রশাসন কে আরও শক্তি প্রদান জরুরি!
প্রিয় পাঠক,
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন!
লোক দেখানো ধার্মিক নয় ইহসান আদল মেনে তাকওয়া পূর্ণ জীবনে ফিরুন, মানবিক মানুষ হন!



