ইউরোপের অন্যতম শিল্প উন্নত দেশ ইতালিতে বৈধ শ্রমিক নেওয়া শুরু হয় ২০০৬ সাল থেকে। দুই বছর চালু থাকার পর কালো তালিকা অন্তভুক্ত করে ইতালির শ্রম মন্ত্রণালয়। ৩৫০০ শ্রমিক নেওয়া মধ্যে ২৫০০ ছিলো কৃষি শ্রমিক আর বাকী ১০০০ ছিলো বাসা বাড়ি কাজ কারার শ্রমিক ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির জন্য অনেক বাংলাদেশী জেল খেটেছে। বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ইতালীর রাষ্টদূত থাকাকালীন আবার শ্রমিক নেওয়া শুরু হয়। সেই দ্বারা অব্যহত ছিলো অনেক দিন। ইতালিতে একজন শ্রমিক যেতে খরছ হয় ৩০০০০০ টাকা এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশী মাফিয়া রা একজন থেকে ১৬০০০০০ টাকা হাতিয়ে নে। এটি গোয়েন্দাদের নজরে আসে এটি এখন ইতালি প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলনীর দপ্তর যায়, ডানপন্থী সরকার এমনিতে বিদেশি শ্রমিক নিতে অনাগ্রহী। এই বিষয়টি এখন কেরেবিয়ানি বিশেষ পুলিশ হাতে রয়েছে। এই শ্রমবাজার নষ্ট যারা করছে ইতালি বাংলাদেশ দূতাবাস এই মাফিয়া দের পাসপোর্ট বাতিলসহ ইতালি বিশেষ পুলিশের সহায়তা নিতে পারে। ইতালী দূতাবাস অবিলম্বে এই ব্যবস্তা নিবে বলে ইতালীতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আশা করে। এই বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন তৎপর হলে এই শ্রমবাজার টি বন্ধ হবে না বলে অনকে বিশ্বাস করে।

