শনিবার, জুলাই ২০, ২০২৪

ফেনীর ছাত্রলীগ রাজনীতি ইতিকথা

আপডেট:

আমারা কৈশর ফেরিয়ে যৌবনে পর্দাপন করেছি, তখন স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনকালে আমাদের বেড়ে উঠা। স্বৈরাচার বিরোধী আনন্দোলন ধানা বাধাছে। আমারা এস,এস,সি পরিক্ষা জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আনন্দোলন ডালপালা মেলছে। আমারা মাষ্টার পাড়া ও পূর্ব উকিল পাড়া সহদেবপুর বাশপাড়া মিলে আওয়ামী রাজনীতি আর রামপুর পশ্চিম উকিল পাড়া নিয়ে বি,এন,পি তথা জাতীয় পাটি রাজনীতি। পূর্বউকিল পাড়ায় কোন ক্লাব নেই মাষ্টার পাড়ায় পূবালী সংসদ আছে। এডভোকেট ফয়েজুর রহমান মিলকি ভাই ছাত্রলীগ রাজনীতি নেতা তখন। তিনি সূর্য তরুন সংসদ নামে একটি ক্লাব করলেন। আমি তখন দশম শ্রেণির ছাত্র ফেনী সেন্টাল হাই স্কুলের খেলাধুলা প্রতি আমার আগ্রহ দেখে তিনি সভাপতি ও আমাকে সাধারণ সম্পাদক করে একটা কমিটির করলেন। কিন্তু আসলে ক্লাবে আড়ালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করালেন সবাইকে। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর রথমেলা শুরু হলো এই রথমেলার ডাক কে পেলো জানিনা, আমার হাতে রিসিট বই দিয়ে মালাল ক্রয়কারীদের থেকে টাকা নিতাম। হঠাৎ আমাকে চুরির আগাত করলো কয়েক জন যুব তাদের মধ্য আমার এক বন্ধু ও ছিলো সে মৃত্যু বরন করছে তাই নাম উল্লেখ করলাম না আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেদিন। রথ মেলার টাকা নিয়ে জামেলার কারনে সূর্য তরুন সংঘ বন্ধ হয়ে গেলো। মনোয়ার হোসেন দুলাল (লটু দুলাল) তখন জয়নাল হাজারী সাথে থেকে জাতীয় পাটি সাথে মারামারি করতো, তখন গোলাম মাওলা চৌধুরী, জিয়াউক হাজারী বেন্ডু হাজারী, রিয়াজ, বাবুল, ডাকাইয়া বাবুল, জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল, মিলিটারি নরু,ভাই ডাক্তার পাড়ার শিমুল কাকা, বেন্ডু হাজারী সভাপতি ও বাহার ভাই সাধারণ সম্পাদক, প্রতি দিন ককটেল ফুটতো। এই কারনে আমরা ছোট রা ট্রাংক রোড়ে আসতে পারতাম না। গোলাম মাওলা চৌধুরী উদ্যোগে নতুন একটা ক্লাব পূব পশ্চিম উকিল পাড়া মিলে নতুন একটা ক্লাব যার নাম ছিলো মুক্তি সংসদ। এরি মধ্যে লটু দুলাল আমাদের মাষ্টার পাড়া থেকে পশ্চিম উকিল পাড়ায় চলে যায়, সে আবদুর রহমান সাবেক সভাপতি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগে বাড়িতে হামলা করে এতে আমার বন্ধু সোহাগ আহত হয়। আমারা এস, এস,সি দিবো কোচিং চলছে, এই ঘটনা আমাদের সবার মাজে রেখা পাত করে, বর্তমান ব্যবসাই সমিতি নেতা সাবেক ছাতদল নেতা, পিরন, সহ আমরা ও এই হামলায় কষ্ট পেলাম। কপিল উদ্দিন ভুঁয়া রা সবাই পূর্ব উকিল পাড়া চলে এলো শুরু হলো পাল্টা হামলা, মুন্না ভাই বর্তমান সময় টিভি সাংবাদিক, সেন্টু ভাই, আমেরিকার প্রবাসী, শাজাহান ভাই আমেরিকা প্রবাসী, বানু ভিলায় ককটেল বিস্ফোরণে হাত উড়ে যায়। নুরু ভাই নিহত হন আল্লাহ উনাকে জান্নাত দান করুন। আওয়ামীলীগ রাজনীতি নিবেদিত এক কর্মী ছিলে,চাদর মুড়িয়ে আমাদের পূর্ব উকিল পাড়ায় নিয়ে রাখা হয় শেষ কথা ছিলো আমার কিছু হবেনা চিন্তা করিস না পুলিশের ভয়ে গোপনে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। তার ককটেল একটা গুন ছিলো কোন কর্মী যাতে আহত না হয় তিনি একটা রবার দিয়ে কোকাকোলা বোতলের কাক দিয়ে সেইফ করে দিতেন। চলবে

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত