শনিবার, জুলাই ২০, ২০২৪

সরকারের ঋণ ২৭ লক্ষ কোটি টাকা

আপডেট:

কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এখন উন্নয়ন ব্যয়ের পুরোটাই দেশী ও বিদেশী ঋণের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। রাজস্ব আয় বাড়িয়ে এখানে বরাদ্দ দিতে হবে। কারণ এরই মধ্যে জনপ্রশাসনের পর সুদ ব্যয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে চলে এসেছে। রিজার্ভ কমতে থাকায় এটি বাড়তি চাপ তৈরি করছে। আর ঋণের আসলও এখন ঋণ করেই পরিশোধ করতে হচ্ছে। এটা কোনো টেকসই ব্যবস্থা নয়। তাই নতুন ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের আরো সতর্ক হতে হবে। ব্যয়ের অগ্রাধিকারগুলোও পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।’

গত কয়েক বছরে বিদেশী ঋণের ভিত্তিতে বেশকিছু মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন এরই মধ্যে শেষ হয়েছে বা হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে বড় কয়েকটির গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরেই ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হতে যাচ্ছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প, ঢাকা পাওয়ার নেটওয়ার্ক ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন (পিইডিপি-৪) প্রকল্প। এছাড়া আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বৃহৎ প্রকল্পগুলোরও গ্রেস পিরিয়ড আগামী দুই বছরের মধ্যে শেষ হতে যাচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে জোরালো হতে যাচ্ছে সরকারের ঋণ ও ঋণের সুদ পরিশোধের চাপও।

বিজ্ঞাপন

এমন পরিস্থিতিতে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সরকারি ঋণের স্থিতি এভাবে বেড়ে যাওয়া উদ্বেগজনক উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। একদিকে রিজার্ভ কমছে। অন্যদিকে রফতানি ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধিও কম। তাই ঋণ পরিশোধে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আবার বড় ঋণে নেয়া বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নেও রয়েছে ধীরগতি। ফলে বিদেশী বিনিয়োগ না বাড়লে এখন উদ্বেগ আরো বাড়বে। তাই প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা উচিত। অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে নতুন করে কোনো বড় ধরনের প্রকল্পের জন্য ঋণ গ্রহণ করাও উচিত হবে না।’

সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাংক খাতের সুদহারও এখন বাড়ছে। বছর দুই আগেও ৯১ দিন মেয়াদি সরকারি ট্রেজারি বিলের সুদহার ছিল আড়াই শতাংশের কম। স্বল্পমেয়াদি এ ঋণের সুদহার এখন ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। মেয়াদ বেশি হলে ঋণ নিতে সরকারকে আরো বেশি সুদ গুনতে হচ্ছে। ব্যাংকগুলো এখন ব্যক্তি খাতের চেয়ে সরকারকে ঋণ দেয়াকেই বেশি লাভজনক মনে করছে।

বিজ্ঞাপন

এতে বেসরকারি খাত ঋণ পেতে সমস্যায় পড়বে বলে আশঙ্কা উদ্যোক্তাদের। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ বাড়লে অর্থনীতিতে একটি ‘ক্রাউডিং আউট’ প্রভাব তৈরি হতে পারে। এর ফলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।’

এ অবস্থায় সরকারের ব্যয় সংকোচনে নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিল্পোদ্যোক্তাদের অনেকেই। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, ‘সরকারের ব্যয় কমিয়ে এবং বিদেশী উৎস থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ঘাটতি মেটানোর দিকে জোর দেয়া উচিত, যাতে করে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে তুলনামূলক কম হারে ঋণ নেয়ার প্রয়োজন হয়। বিপুল অর্থ যদি ব্যাংক ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেয়া হয়, তাহলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে চাপ তৈরি হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে নতুন বিনিয়োগ না এলেও বর্তমান শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে অর্থ প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।’

স্থানীয় উৎসগুলোর মধ্যে সরকার ব্যাংক খাত ছাড়াও ট্রেজারি বিল, বন্ড ও সুকুকের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে থাকে। এর বাইরে সঞ্চয়পত্র ও সরকারি কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের মাধ্যমে ব্যাংক-বহির্ভূত উৎস থেকেও ঋণ নেয়া হয়। বাজেট প্রণয়নের সময় প্রতি বছরই বড় অংকের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যদিও প্রকৃত রাজস্ব আহরণ হয় তার চেয়ে অনেক কম। সরকারকে প্রতি বছরই ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ বাবদ বড় অংকের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। মূলত রাজস্ব আয়ের অর্থ থেকে স্থানীয় ঋণ এবং রফতানি আয় ও রেমিট্যান্সের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে বিদেশী ঋণ শোধ করা হয়ে থাকে।

সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান ও সাবেক নীতিনির্ধারকদের অনেকেই মনে করছেন ঋণ গ্রহণের দিক দিয়ে এখনো খুব একটা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে পড়েনি বাংলাদেশ। সরকারের সাবেক অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ঋণ গ্রহণ বাড়ছে। তবে এটা এখনো চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়নি। ঐতিহাসিকভাবেই বাজেটে সরকারের সুদ ব্যয়ের বরাদ্দ বেশি থাকে। আরো এক দশকেও ঋণ গ্রহণের দিক দিয়ে আমাদের সমস্যা হবে না বলে আমি মনে করি।’

সুরক্ষা সিস্টেমে সংরক্ষিত ৫ কোটি নাগরিকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস?
তারল্য সংকটের তীব্রতা বাড়বে বেসরকারি খাতে
যানজট-ভোগান্তির শঙ্কা সড়কপথে
বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
সাকিবকে অবসর নিতে বললেন শেবাগ
বিশ্ববাজারের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় হচ্ছে না জ্বালানি তেলের

আরও পড়ুন

উৎপাদনকারী না হয়েও মাদক সমস্যার কবলে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদারীপুরে দুই শতাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ চলছে

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত বাজেট ও যথাযথ ব্যয়

Gaza death toll stands at 37,202

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার লঞ্চ করল বিকাশ স্টুডেন্ট একাউন্ট

তারেক রহমানসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পাতা
সুরক্ষা সিস্টেমে সংরক্ষিত ৫ কোটি নাগরিকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস?
আরফিন শরিয়ত

জুন ১২, ২০২৪

ছবি : বণিক বার্তা
সরকারের কভিড-১৯-এর টিকা ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ‘সুরক্ষায়’ সংরক্ষিত পাঁচ কোটি নাগরিকের ডাটা ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্প্রতি এসব ডাটা বিক্রির জন্য একটি সাইটে বিজ্ঞাপনও দেয়া হয়। ফাঁস হওয়া এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে নাগরিকের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি। এ বিষয়ে সরকারের আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য হলো সুরক্ষা সার্ভারটি হ্যাকারদের মাধ্যমে হ্যাক হওয়ার সুযোগ নেই। এর পরও এসব তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়ার বিষয়ে এখনই স্পষ্ট করে কোনো কিছু বলা সম্ভব নয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দুই সপ্তাহ ধরে ডার্ক ওয়েবে ঘুরে বেড়াচ্ছে সুরক্ষা সিস্টেমের তথ্য। এসব তথ্যের মূল্য ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩০২ ডলার। ম্যাক অ্যান্থনি নামের একটি আইডি থেকে এক ডার্ক ওয়েব মার্কেট সাইটে পাঁচ কোটি বাংলাদেশী নাগরিকের এ তথ্য বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও বণিক বার্তার হাতে এসেছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের দুজন কর্মকর্তা জানান, সুরক্ষা সিস্টেম ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তীর্যক প্রাইভেট লিমিটেড। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর সুরক্ষা সিস্টেমের দায়িত্বে থাকলেও ভেন্ডর হিসেবে তীর্যকই সুরক্ষা সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। বর্তমানে অধিদপ্তরে শুধু চারজনের কাছে ওই সার্ভারের অ্যাকসেস রয়েছে।

তারা হলেন অধিদপ্তরের সিস্টেম ম্যানেজার মো. মাসুম বিল্লাহ, প্রোগ্রামার মো. হারুন অর রশিদ, আব্দুল্লাহ আল রহমান ও গোলাম মাহবুব। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে প্রোগ্রামার হারুন অর রশিদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমরা কভিডের সময় এ কার্যক্রম শুরু করি। এর মধ্যে প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে। এখন তো আর সুরক্ষার কোনো কাজ নেই। অলস পড়ে আছে সিস্টেমটি। তবে কিছুদিন আগে আমরা সিকিউরিটি ব্যবস্থা পরীক্ষা করেছি, তাতে হ্যাক হওয়ার কোনো ঘটনা আমরা পাইনি।’

হ্যাক হওয়া ছাড়া অন্য কোনোভাবে ডাটা নেয়া সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘হ্যাক হওয়া ছাড়া ডাটা পাওয়ার অন্য কোনো উপায় আছে কিনা জানি না। আমাদের এখানে মহামারীর সময় হাঙ্গেরি থেকে সাইবার অ্যাটাক হয়েছিল, তখন তো সার্ভারের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হতো। তখনো ডাটা চুরি সম্ভব হয়নি।’

সরকারের সাইবার থ্রেট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটটি পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ ই-গভর্নমেন্ট কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিজিডি ই-গভ সার্ট) নামে। নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে ইউনিটটির এক কর্মকর্তা সোমবার রাতে বণিক বার্তাকে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বলেন, ‘কভিডের টিকাদান কার্যক্রম শুরুর পর থেকে সুরক্ষা সিস্টেমের ডোমেইনের সঙ্গে মিল রেখে হ্যাকাররা কিছু ডোমেইন সৃষ্টি করে। সে সময় সুরক্ষা লিখে সার্চ দিলে গুগলে এসব ডোমেইন চলে আসত। নাগরিকরা না জেনে এসব ডোমেইনে ঢুকে তথ্য দিত এবং তা হ্যাকারদের কাছে চলে যেত। এসব ডোমেইনে তথ্য পূরণ করেও কোনো কাজ হতো না। এসব তথ্য এখন তারা ডার্ক ওয়েবে ছাড়তে পারে। এছাড়া সার্ভারের অ্যাকসেস আছে এমন কেউ তথ্য ডাউনলোড করেও বিক্রি করার সম্ভাবনা আছে। তবে এতে ডাউনলোডের ফুটপ্রিন্ট থেকে যাবে। কেউ যদি ডাউনলোড হিস্ট্রি ডিলিটও করে দেয় ফরেনসিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার পরিচয় বের করা সম্ভব হবে।’

সুরক্ষা সিস্টেমের ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান তীর্যক প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মকর্তাদের দাবি, তাদের সিস্টেম বেশকিছু ধাপে সুরক্ষিত। চাইলেই কারো পক্ষে এটি হ্যাক করার বা কারো প্রবেশাধিকার পাওয়ার কথা নয়। এ বিষয়ে সরকারের সাইবার সুরক্ষা ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। এ বিষয়ে তারাই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

জানতে চাইলে তীর্যকের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিফাত রহমান বলেন, ‘আমাদের সিস্টেম ভিপিএনসহ (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) বেশকিছু ধাপে সুরক্ষিত। চাইলে যে কেউ এখানে অ্যাকসেস নিতে পারবে না। এত বড় ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের জানার কথা। আমাদের সুরক্ষা সিস্টেম এখন পর্যন্ত হ্যাক হয়নি। সার্ভার খুব সুরক্ষিত আছে। হ্যাক না হয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ যদি ডাটা নামিয়ে থাকেন তাহলে তারও ফুটপ্রিন্ট এখানে থাকবে। সরকারের সাইবার থ্রেট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিজিডি ই-গভ সার্ট আছে, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। তারা পরীক্ষা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) এক কর্মকর্তা জানান, সুরক্ষার মূল সার্ভার তীর্যক প্রাইভেট লিমিটেডের ভিপিএন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এটি ‍সুরক্ষিত অবস্থায় আছে। এর সঙ্গে সরাসরি কোনো ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় এখানে চাইলেও কোনো হ্যাকারের পক্ষে প্রবেশ করা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে বিজিডি ই-গভ সার্টের পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, ‘ডার্ক ওয়েবে এমন অনেক বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়। এটি ভুয়া।’ এর বেশি কোনো বক্তব্য তার কাছ থেকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

ই-মেইল

বণিক বার্তা প্রকাশনা

সম্পাদক ও প্রকাশক: দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: পিএবিএক্স: ৫৫০১৪৩০১-০৬, ই-মেইল: news@bonikbarta.com
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: ফোন: ৫৫০১৪৩০৮-১৪, ফ্যাক্স: ৫৫০১৪৩১৫
2024 © All Rights Reserved @ Daily Bonik Barta ( বণিক বার্তা ) | Leading Bangla Business Daily Newspaper | Privacy Policy

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত