ভিয়েতনামের হ্যানয় শহর। তাপমাত্রা বাংলাদেশ থেকে একটু বেশি। রৌদ্রের তাপ পয়ত্রিশ ডিগ্রি হবে মনে হয়। আকাশে মাঝে মাঝে মেঘ । সব মিলিয়ে দারুণ আবহাওয়া।হ্যানয় শহরটাকে মনে হয়েছে একটা স্কুটির শহর। এখানে ছেলেমেয়ে, নরনারী ও বুড়া-বুড়ি সবার স্কুটি ব্যবহার করে। এবং শহরটি রিক্সা ও সিএনজি মুক্ত। এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নরনারীর সমান অংশগ্রহণ। জাতি হিসেবে ভিয়েতনামিরা ভীষণ পরিশ্রমী এবং বন্ধুৎসল। আরও বেশি আশ্চর্যের বিষয় ছিল শহরে কোন ট্রাফিক পুলিশ বা আমাদের দেশের মতো ট্রাফিক সিগন্যালে কোন উঁচু স্তম্ভের মতো মোড় দেখতে পাইনি । আইনের প্রতি অসম্ভব শ্রদ্ধাশীল জাতি ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করে চলছে। হ্যানয় শহর থেকে একশো সত্তর কিলোমিটার সড়ক পথে পাড়ি দিয়ে গাইড আমাদের নিয়ে যায় “হালোঙবে”।
হালোঙবে দেখার সময়টাতে মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীতে এর চেয়ে শান্তি আর কোথাও নেই। শহরের কোলাহল ছেড়ে সমুদ্রের মাঝের নির্জন দ্বীপটা যেন শুধু একটা দ্বীপ নয় ,শান্তির এক টুকরো স্বর্গ। লেকচার পাবলিকেশন কর্তৃক আয়োজিত ভিয়েতনাম ভ্রমণে সারাদেশের পঁচিশ জন এজেন্ট ও পাবলিকেশনের সাতজন কর্মকর্তাদের নিয়ে এই ভ্রমণ আয়োজনে আড্ডা,গল্প আর দর্শনীয় স্থানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ আমরা। হারিয়ে গেছিলাম নানা কাহিনীতে। এবং গাড়ি থেকে শুরু করে পুরো ট্রিপের কোথায় কখন কি লাগবে সময়মতো সবকিছুই পেয়েছি। একফোঁটা কোন ভোগান্তিও পোহাতে হয়নি। আমার পছন্দমতো সবকিছুই পেয়েছি । আমাদের এই সফরকাল দীর্ঘ ছিলো না। তবে অভিজ্ঞতা মনে রাখার মতো। ধন্যবাদ কর্মকর্তা ও দেশসেরা এজেন্টদের । আপনাদের সঙ্গ, আতিথেয়তা ও সৌন্দর্য অবলোকনের মুগ্ধতা মনে থাকবে অনেক দিন।
ভিয়েতনাম অ্যালবাম

