ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। পানিবন্দি রয়েছে লাখ লাখ মানুষ।বন্যায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষের নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়। শুধু যে বন্যার্ত মানুষই এ ঝুঁকিতে থাকে, তা নয় বরং বন্যায় উদ্ধারকর্মী, ত্রাণকর্মী, স্বাস্থ্যসেবাদানকারীও ঝুঁকিতে থাকেন।চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বন্যা-পরবর্তী সময়ে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। বন্যায় নিরাপদ পানির অভাবে অনেকেই খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে অনিরাপদ পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হন।এই দূষিত পানি ব্যাবহারের ফলে পানিবাহিত রোগ, যেমন ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড কিংবা হেপাটাইটিস রোগের সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই সবার আগে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ বন্যায় বাড়বে রোগবালাই, অসতর্কতায় বিপদ
ঢাকা: ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। পানিবন্দি রয়েছে লাখ লাখ মানুষ।বন্যায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষের নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়। শুধু যে বন্যার্ত মানুষই এ ঝুঁকিতে থাকে, তা নয় বরং বন্যায় উদ্ধারকর্মী, ত্রাণকর্মী,স্বাস্থ্যসেবাদানকারীও ঝুঁকিতে থাকেন।চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বন্যা-পরবর্তী সময়ে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। বন্যায় নিরাপদ পানির অভাবে অনেকেই খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে অনিরাপদ পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হন।এই দূষিত পানি ব্যাবহারের ফলে পানিবাহিত রোগ, যেমন ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড কিংবা হেপাটাইটিস রোগের সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই সবার আগে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।বন্যার পর বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকে। এই পানি মশার বংশ বিস্তারে ভূমিকা রাখে। ফলে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই বন্যা পরবর্তী সময়ে মশা থেকে সাবধান থাকতে হবে। ঘরবাড়ি স্যাঁতসেঁতে হওয়ার কারণে ত্বকে ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ বেড়ে যায়।বন্যা পরবর্তী রোগ বালাই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগ যেমন, আমাশয়, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, জ্বর, হেপাটাইটিস বা এ জাতীয় রোগ বেড়ে যায়। আবার বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরেও বিভিন্ন জায়গায় পানি আটকে থাকে। এই জমে থাকা পানিতে মশার বংশ বৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়ার মত রোগ বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে।তিনি আরও বলেন, বন্যার পানিতে চলাফেরা করা কারণে মানুষের শরীরে নানা জাতীয় চর্মরোগ দেখা দেয়। আমরা দেখি, বন্যার পরে খোসপাঁচড়া বা চুলকানি জাতীয় অসুখ বেড়ে যায়। এছাড়াও শিশুদের মধ্যে ভাইরাল নিউমোনিয়া বা ঠান্ডা জাতীয় রোগ বেশি দেখা যায়। এসময় পানিবাহিত রোগের বিষয়ে আমাদের বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
ফেনীজেলা সহ বন্যা কবলিত সব জেলায় রোগ ছড়াতে পারে
আপডেট:

