ফেনী জেলার আনন্দপুর ইউনিয়নে হাসানপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়ি কৃতি সন্তান বাবলু চৌধুরীর ফুলগাজী উপজিলায় ব্যাপক ত্রান বিতরন করেন। তার সাথে দৈনিক সকালের কন্ঠে জেলা সংবাদ দাতার সাথে আলাপ চারিতায় বলেন আমি ও আমাদের বাড়ীর সকলে সব সময় সৎ থেকে জনগণের সেবা করে আসছি সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল হক চৌধুরী র্দীঘদিন জনমানুষের সেবা করে ছিলেন। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে বানবাসী ফুলগাজী উপজিলায় ২২ তারিখ থেকে উদ্ধার ও ত্রান বিতরণ করে আসছি। মানুষের পাশে থাকতে পারার জন্য আল্লাহ দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। বন্যার ভয়াবহ তাণ্ডব শেষে নামছে পানি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ফিরছে ঘরে। অনেকে আশ্রয়স্থল থেকে ফিরে ভিটেমাটি ছাড়া কিছুই পায়নি। সব ভেসে গেছে পানির প্রবল স্রোতে। বিশুদ্ধ পানি, খাবারসহ নানা সংকট এখনও আছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অনেক মানুষ বানভাসির সাহায্য অব্যাহত রেখেছেন। গত ২৮ ও ২৯ আগস্ট সুহৃদরাও ছুটে যান ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে; তাদের হাতে তুলে দেন সমকালের সহায়তা…
‘মানুষ বড় কাঁদছে, তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও,/মানুষই ফাঁদ পাতছে, তুমি পাখির মতো পাশে দাঁড়াও… মানুষ বড় একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও, এসে দাঁড়াও, ভেসে দাঁড়াও এবং ভালোবেসে দাঁড়াও…’ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার লাইনের মতোই মানুষ মানুষের বিপদে পাশি দাঁড়িয়েছেন। অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি শক্তি ও সাহস নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে এক ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হন ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ জেলার ৬৮টি উপজেলার মানুষ। পানিবন্দি হয়ে অগণিত মানুষ গৃহহীন হয়ে আশ্রয়ের খোঁজে অপেক্ষায় দিন কাটান। অন্যের সহযোগিতায় অধিকাংশ বানভাসি আশ্রয় খুঁজে পেলেও, বিভিন্ন স্থানে ভয়াল বন্যা কেড়ে নেয় ২১ জন মতো মানুষ নিহত হয়েছে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে ফুলগাজী ও পরশুরাম ছাগলনাইয়া ক্ষতিগ্রস্ত জনগন।
হাসানপুর সহ ফুলগাজীতে বাবলু চৌধুরীর ব্যাপক ত্রান বিতরন
আপডেট:

