মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ উন্নত করার জন্য বাইডেন প্রশাসন ২৯ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। তারা এমন একটি প্রতিষ্ঠানে এই বিপুল অর্থ দিয়েছে যেখানে মাত্র দুজন কাজ করেন। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে এই বক্তব্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।ট্রাম্প বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ উন্নত করতে একটি সংস্থার কাছে ২৯ মিলিয়ন ডলার গেছে। যার নাম কেউ কোনো দিন শোনেনি। তারা চেয়েছে, পেয়েছে। আপনারা ভাবতে পারেন! আমরা মার্কিন সরকারের তরফ থেকে বাংলাদেশকে দেওয়ার জন্য ২৯ মিলিয়ন ডলার পেয়েছি। ওই সংস্থায় মাত্র দুজন কাজ করেন। আমি মনে করি, তারা খুব খুশি হবেন, খুবই ধনী। কয়েকদিন পর কোনো ম্যাগাজিনে তাদের ছবি আসবে। প্রসঙ্গত, য্ক্তুরাষ্ট্রের নতুন দপ্তর ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (ডিওজিই) ১৬ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য ইউএসএআইডির এই সহায়তা বাতিল করা হয়েছে।ওই ভাষণে অন্যান্য দেশের বরাদ্দের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। মার্কিন সহায়তা তালিকায় থাকা দেশের মধ্যে ছিল মোজাম্বিকের জন্য এক কোটি, কম্বোডিয়ার জন্য ২৩ লাখ, সার্বিয়ার জন্য এক কোটি ৪০ লাখ, মলদোভার জন্য দুই কোটি ২০ লাখ, নেপালের জন্য তিন কোটি ৯০ লাখ এবং মালির জন্য এক কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।
ভারতের রাজনীতি উত্তপ্ত
একই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ভারতের সাধারণ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছে। তার কথায়, ২১ মিলিয়ন ডলার গেছে আমার বন্ধু মোদির কাছে। ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি বলছে, এই অর্থ ‘বহিরাগত হস্তক্ষেপ’ এই জন্য দলটি কংগ্রেসকে দোষারোপ করেছে। যদিও কংগ্রেস ট্রাম্পের এমন দাবিতে অযৌক্তিক বলেছে। এমনকি ট্রাম্প তার দাবির পক্ষে কোনো ধরনের প্রমাণও হাজির করেননি।

