কী করে গন্তব্যে পৌঁছাই
——————
মজুমদার শাহীন
কী করে গন্তব্যে পৌঁছাই
বিকল গাড়িতে স্থির বসে আছি
অলস দুপুর। যেতে হবে দুরের
কোন গ্রামে – যেখানে সোনালী রোদ বুকের ভিতর নিঃশ্বাসে
পুষে রাখা যায়।সুন্দরের কাছে
অন্তহীন কোন রোমান্সের মত
সমর্পিত হয় সন্ধ্যার সূর্য।প্রিয় আঙ্গুলের কম্পনে নিসর্গ ভেদ
করে – কোন এক প্রাচীন শৃঙ্গারে
রক্ত কনিকা হই, শিরায় শিরায়
উদ্ভ্রান্তের মত খুঁজি, শেকড়বৃন্তের
ছায়া।
সমুদ্রের কাকড়ার মত বালি খুঁড়ে
দেখি – শুয়ে আছি জলতরঙ্গে।
সেখানে হাহাকার নেই,
যুদ্ধপীড়িত শব্দের মত –
বিস্ফোরিত ইতিহাস নেই।এই বিকল গাড়ির ছায়া শরীরে শরীরে লেপ্টে থাকে;
দিকচিহ্নহীন যাত্রায়
অনিশ্চিত বসে আছি,হাজার
বছর সময়ের গভীরে ডুবুরি নাবিক।
ভালোবাসা শুধু বর্তমানের লোনাঘাম!কালজয়ী ভবিষ্যতের দিকে,দুরযাত্রার গন্তব্যে কোন গাড়ি নেই!
কী করে গন্তব্যে পৌঁছাই।

