ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিল্পী সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী শ্রমজীবী খেটে খাওয়া দিনমজুর রিক্সাওয়াল, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ছাত্রদের অবদান অনস্বীকার্য ।এ আন্দোলনের বীজ বপন করা হয়েছিল প্রায় 17 বছর আগে।যার পূর্ণতা পায় জুলাই আগস্টের গন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এ আন্দোলনের সব দল মত এবং পথের মানুষেরই অবদান ছিল তবে ছাত্রদের নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলী প্রশংসনীয়। যাদের নেতৃত্ব গুনে, পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ও তাদের কর্মী সমর্থকদের প্রচেষ্টা সর্বোপরি আমজনতার মুষ্টিবদ্ধ হাত আন্দোলনের চূড়ান্ত সাফল্য এনে দে। বাংলাদেশ আবার ফ্যাসিস্ট মুক্ত গণতান্ত্রিক ধারায় নতুন করে পদচারণা শুরু করে। যাকে আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলেও আখ্যায়িত করেছি। যদিও এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সাথে এক করা যায় না। যেখানে একটি যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। আরেকটি গণ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা একটি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় পুনরায় ফিরে এসেছি। যদিও গণতন্ত্রের লক্ষই হল একটি অবাধ, সুষ্ঠু , নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ তাদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সেই নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদ গঠিত হবে। সে পর্যন্ত প্রত্যাশায় রইলাম। অনেকে বলা শুরু করেছেন আগে সংস্কার পরে নির্বাচন আবার অনেকে বলছেন সংস্কার ও নির্বাচন দুটি প্রয়োজন। আমরা বলব নির্বাচন, সংস্কার দুটি দরকার। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া যেখানে একটি সংস্কার আমার কাছে শেষ মনে হবে দেখা যাবে কয়েক বছর পরে আবার সংস্কার করতে হবে কাজী সংস্কারের কোন সীমারেখা নেই তাহলে এই কথা আমরা বলতে পারি না যে সংস্কার শেষ করে নির্বাচন দিব। যেখানে আপনি সংস্কার শেষ করবেন সেখানে আবার নতুন করে সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে। আমি যদি বলি যে, আমি একটা গাড়ি ক্রয় করলাম এবং সে গাড়িটা সারা জীবন ভালো থাকবে তাও তো ঠিক না। আবার গাড়িটা সংস্কার করতে হবে। আবার আমি যদি বলি এই গাড়িটা আমি বিক্রি করে আরেকটা নতুন গাড়ি কিনব তারপরও কিছুদিন চালানোর পর আবার মনে হবে এই গাড়িটার নতুন করে রং করতে হবে হয়তোবা অন্য কোন পার্টস আইটেম সংযুক্ত করতে হবে। তারমানে দাড়ালো সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। কাজে আমরা যারা অতিমাত্রায় সংস্কারের কথা বলছি মূলত তারা আদৌ সংস্কার চাচ্ছে কিনা প্রশ্ন সাপেক্ষ। মনে রাখবেন আমি কি চাচ্ছি কিংবা কি চাচ্ছি না এই দুইটা কথা যাচাই করার মানদন্ড কিংবা উপায় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া মুখের কথার বৈধতা নেই। আপনারা যারা ডক্টর ইউনুস সাহেব কে অতিমাত্রায় প্রশংসায় বাসাচ্ছেন এবং নির্বাচনে নিরুৎসাহিত করছেন প্রকারান্তরে তারা ডক্টর ইউনুস সাহেবের ক্ষতিই করছেন। মনে রাখবেন তার মত নোবেল জয়ী বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের সম্পদ যাকে আমরা আপদকালীন ব্যবস্থাপত্র হিসেবে রেখে দিই। জাতির দুর্যোগ আবারও ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। শুরু থেকে যদি ধরি এ আন্দোলন বিএনপি, জামাত ইসলাম সহ অন্যান্য বিরোধী মত, পথ শ্রেণী পেশার মানুষ আন্দোলনে যুক্ত হয় এবং দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে আসছিল। একটা পর্যায় রাজনীতির মাঠ থেকে জামায়েত ইসলামী সরে গিয়ে গোপনে রাজনীতি করা শুরু করে। বিএনপি তার চিরচেনা রূপে, ভয় ভীতি,গুম খুন হত্যা নির্যাতন মামলা হামলা উপেক্ষা করে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে শত,বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আন্দোলনকে বেগবান করে। যার চূড়ান্ত রূপ দেয় এদেশের ছাত্র জনতা। সাম্প্রতিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু জনপ্রিয় অনলাইন এক্টিভিস্ট বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাহেবের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।তারা নাকি নির্বাচন নির্বাচন করতেছে, সংস্কার চাচ্ছে না, ইন্ডিয়ার দালালি করছে, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।অথচ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে কিনা এটা বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করবে। অন্যদিকে ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস বলেছেন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ কিংবা নির্বাচন করার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয় নাই আর জামাত ইসলামের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেছেন আমরা আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দিয়েছি। অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোন কথা জনপ্রিয় অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এবং জামাত ইসলামের কর্মী সমর্থক সহ অন্যান্য দলের কিংবা এনসিপির নেতৃত্ব সমালোচনা করেন নাই। কিন্তু দোষারোপ করা হচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কে।অন্যদিকে সংস্কার ও নির্বাচন ইস্যুতে আমির ক্ষুদ্র মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন আমরা তো সংস্কার ইস্যুতে 31 দফা পূর্বে দিয়েছি আবার কিসের সংস্কার।নির্বাচনের জন্য যতটুকু সংস্কার দরকার ততটুকু সংস্কার করা যেতে পারে। আর মির্জা আব্বাস বলেছেন যে, যে সংস্কার গুলো জনগণের জন্য প্রয়োজন নাই, সে সংস্কারগুলো দরকার।তাহলে এখানে তারা খারাপ কি বলেছেন। অথচ এখানে কোন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এনসিপির কর্মী সমর্থক জামাত ইসলাম ও ছাত্র শিবিরের কর্মী সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের নামে নানা রকম প্রোপাগান্ডা, অশালীন ও অস্রাব্য গালিগালাজ করছেন।এবং ১৭ বছরের তাদের অবদান নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এবং কি তাদেরকে ইন্ডিয়ার দালাল বলেও আখ্যায়িত করছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, বিএনপি ১৭ বছরে কিছুই করতে পারেনি, এমন কথাও আমরা শুনতে পাই যে, বিএনপি একটি বালুর ট্রাক পর্যন্ত সরাতে পারেনি, আমি তাদের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই তারা যেমন বালুর ট্রাক সরিয়ে খালেদা জিয়াকে রাস্তায় নামাতে পারিনি। আপনারাও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং কামারুজ্জামানদের মত নেতাদের কে ফাঁসির কাষ্ঠ থেকে বাঁচাতে পারেননি। এমনকি বিশ্ববরেণ্য আলেমেদ্বীন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেবকে জেলখানার ভিতরে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। তাহলে বলেন আপনারা কি করলেন? আপনাদের তো অনেক শক্তি ও সামর্থ্য ছিল। আপনারা তো এক সময় বিএনপির সাথে রাজনীতি করেছেন। উভয়ের ভুল থাকতে পারে। কেউ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসের রাজনীতি করে আর আপনারা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল করেন। কাজেই পার্থক্য থাকবেই। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘ ১৭ বছর অনেক জুলুমের শিকার হয়েছেন।যে জুলুম বিএনপির বিরুদ্ধে ও হয়েছে। উভয় দলই মজলুম কিন্তু জুলাই পরবর্তী সময়ে একটা দলের প্রধান আমিরে জামাত তো বিএনপিকে পরোক্ষভাবে জালেম হিসেবে আখ্যায়িত করে ফেললেন। যেখানে দুটি দলই মজলুম ছিলেন সেখানে একজন মজলুমকে আরেকজন মজলুম কিভাবে জালিম বলে আখ্যায়িত করে। এই কথাটি বলে মূলত বিএনপি’র প্রতি জুলুম করেছেন। সেই থেকে মূলত বিএনপি এবং জামাতের মধ্যে আনুষ্ঠানিক দূরত্ব শুরু হয়। বলাবাহুল্য বিএনপির নেতা কর্মীদের একটি ক্ষুদ্র অংশ সারা বাংলাদেশে চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব শুরু করেছিল কিন্তু বিএনপির এক্টিং চেয়ারম্যান অবহিত হওয়া মাত্রই সাংগঠনিক এবং কিছু ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।দখলদারিত্ব ও টেন্ডারবাজি বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের একটা বিশাল অংশ জামাতে ইসলামী দখল করেছেন কয়েকটা ব্যাংকের ক্ষেত্রে ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। দখলদারিত্ব টেন্ডারবাজি এগুলো অন্যান্য দল করলেও বিএনপি’র প্রক্রিয়াটি দৃশ্যমান হয়।এছাড়াও এনসিপির নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন জায়গায় বদলি তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া।এ ব্যাপারে কিছু অনলাইন এক্টিভিস্ট যারা বিএনপি’র বিরুদ্ধে সোচ্চার কিন্তু এনসিপি এবং জামাত ইসলামের কোন নেতিবাচক মন্তব্য করে না। এ ক্ষেত্রে আমরা তাদের নিরপেক্ষতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলতে পারি। আমি মনে করি বিএনপির সমর্থন অনুযায়ী বিএনপি কর্তৃত্ব খাটাচ্ছে না। জামাইত ইসলামীর সমর্থন যে পরিমাণ আছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি কর্তৃত্ব বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে সরকারের উপর। এন সি পি তো আছেই। তাহলে কেন আমরা কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছি। কথায় কথায় তুই ইন্ডিয়ার দালাল, কেউ পাকিস্তানের কেউবা চীন বা আমেরিকান দালাল। দিনশেষে আসলে আমরা সবাই কারো না কারো পক্ষ অবলম্বন করি। রাজনৈতিক এবং ভৌগোলিক দিক বিবেচনা করে এগুলো স্বাভাবিক।কিন্তু বাংলাদেশ প্রশ্নে সবগুলো দল,মত ও পথের মানুষকে এক হতে হবে। সেখানে শুধু বাংলাদেশের স্বার্থ থাকবে। মনে রাখতে হবে প্রত্যেক পার্শ্ববর্তী দেশ সহ আন্তর্জাতিক পরা শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সাথে পরস্পর ন্যায্যতা, সমতা, সহযোগিতামূলক, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ করা যাবে না পাশাপাশি কারো সাথে অতিরিক্ত মাখামাখিও চলবে না।যাই হোক আমরা মনে করি, চূড়ান্ত বিজয় বিএনপির হাত ধরে সরাসরি না আসলেও ছাত্র জনতার মধ্য দিয়ে এসেছে। মনে রাখবেন এই ছাত্র জনতাই হলো বিএনপি, জামায়েত, অন্যান্য দল ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোক। চিরচেনা রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী গুলো সম্মুখ সারীতে থাকলে আন্দোলন অংকুরে বিনষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক মেরুকরণে করা হতো। ছাত্রদেরকে সম্মুখ সারিতে রেখে বিভিন্ন দল মত ও পথের মানুষগুলো সারিবদ্ধ হয়েছিল।যার ফলশ্রুতিতে আন্দোলন সাফল্যের মুখ দেখতে পেরেছিল। পরিশেষে বলতে চাই, জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের সমান কিংবা তার উপরে বিএনপির নেতাকর্মী এবং সমর্থক ছিল আন্দোলনে যদি তাদের অবদানই না থাকতো তাহলে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর প্রাণ যেত না। পাশাপাশি৷ বিএনপি র অবদানও কম নয়। বিগত ১৭ বছর বিএনপি’র নেতাকর্মীরা হত্যা নির্যাতন গুম খুন এবং মামলার ভারে জর্জরিত ছিল। শুধুমাত্র একজন মহাসচিব সাতবার জেলে যায়। যার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা প্রায় একশর উপরে। আমার জানামতে বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোন মহাসচিব এর ক্ষেত্রে এরকম নজির নেই। যে সাতবারের উপরে জেলে গিয়েছেন অথচ এই মহাসচিবকেও আপনারা বিশেষ করে জামাত শিবিরে কর্মী সমর্থক, কিছু অনলাইন এক্টিভিস্ট, এন সি পি এর কিছু কর্মী সমর্থক ইন্ডিয়ার দালাল বলে গালি দিচ্ছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কি জন্য দালাল হলেন এই কথাটা বুঝতে না পারলেও কিন্তু ডাক্তার শফিকুর রহমান যে ইন্ডিয়ার সাথে সুসম্পর্ক রাখতে চায়,এ ব্যাপারে তাদের কোন ধরনের মতামত নেই।এর মাধ্যমে প্রতিীয়মান হয় যে, আপনারা সঙ্ঘবদ্ধভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে লেগেছেন। আপনাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা। অথচ বিএনপি ইতিবাচক ধারার রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। বিদেশে থেকে রাজনীতি করা যত সহজ। দেশে থেকে রাজনীতি করা ততটা সহজ নয়। একটা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুলদের রাজনীতি করতে হয়েছে। যখন গুমের ভয়ে একটা লোক রাস্তায় নামার সাহস তো দূরের কথা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু একটা লিখতে ভয় করত। তখন মির্জা ফখরুলরাই রাজনৈতিক মাঠে ময়দানে ভয়েস বা আওয়াজ তুলেছেন। ছোট্ট একটা পরিসংখ্যানের মাধ্যমে লিখাটার সমাপ্তি টানতে চাচ্ছি, বিগত 17 বছর প্রায় দের লক্ষ মামলা ৬০ লক্ষ আসামি, ৭০০ এর উপরে গুম, প্রায় ১৭০০ এর উপরে খুন হয়েছেন, থেকেছেন ধান ক্ষেতে, নদীতে ভাসমান নৌকায়। হারিয়েছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, জায়গা সম্পত্তি, আরাম আয়েশের জীবন, বঞ্চিত হয়েছেন চাকুরী পাওয়া থেকে। এমনকি ঢাকার রাজপথে রিকশা চালিয়েছেন অনেক ভালো ভালো ফ্যামিলির সন্তানরা।
লেখক
সলিম উল্লাহ মজুমদার
বাংলাদেশ আবার ফ্যাসিস্ট মুক্ত গণতান্ত্রিক ধারায় নতুন করে পদচারণা শুরু করে — সলিম উলাহ মজুমদার
আপডেট:

