বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

মধুরানীর মডেল তনয়ার জালে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা

আপডেট:

সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। সংস্কৃতি অঙ্গনেও আছে বিচরণ। থাকেন চট্টগ্রামে। একটি মিউজিক ভিডিও’র সূত্র ধরে পরিচয় হয় ঢাকার ২৮ বছর বয়সী মডেল তনয়া হোসেন ওরফে নাজমুন নাহার সুখী ও তার বোন ৩২ বছর বয়সী তানিশা রহমান ওরফে কামরুন নাহার আঁখির সঙ্গে। পরিচয়ের পর ওই কর্মকর্তার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেন দুই বোন। প্রায়ই তাদের মধ্যে কথাবার্তা হতো। সরকারি কর্মকর্তাও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগান তনয়া ও তানিশা। ফেব্রুয়ারি মাসে তাদের জানাশোনা হলেও তানিশা তার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তাই চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা ধার চান। শর্ত ছিল কিছুদিনের ভেতরে ফেরত দিবেন। পরে তিনি তানিশাকে ৫ লাখ টাকা ধার দেন। অল্প সময়ের ভেতরে টাকা ফেরতের কথা থাকলেও কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে যায়। তানিশা টাকা ফেরত দেননি। কিন্তু ওই কর্মকর্তা একাধিকবার তানিশার কাছে টাকা ফেরত চান। একপর্যায়ে এপ্রিলের মাঝামাঝি তানিশা টাকা নেয়ার জন্য ওই কর্মকর্তাকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু তখনো তিনি জানতেন না টাকা ফেরত নিতে আসলে তার জীবনে কতোটুকু ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। চলতি মাসে টাকা নিতে ঢাকা আসেন তিনি। তাকে নেয়া হয় একটি বাসায়। সেখানে যাওয়ার পর শুরু হয় কর্মকর্তার ওপর অমানবিক নির্যাতন। দুই বোন ও তাদের হানিট্রাপের সহযোগীরা মারধর, নির্যাতন করে আহত করেন। ধারণ করা হয় নগ্ন ভিডিও। সেই ভিডিও’র হুমকি দিয়ে হানিট্র্যাপ চক্রটি ৬০ লাখ টাকা আদায় করে। নগ্ন ভিডিও ধারণ করার পর ওই কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেয় চক্রটি।কর্মকর্তার তাদের সঙ্গে পরিচয় হলেও এক সময় পারিবারিকভাবে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। তনয়ার পাশাপাশি তানিশার সঙ্গে সখ্যতা ছিল। একপর্যায়ে একটি সমস্যার কথা বলে তানিশা ৫ লাখ টাকা ধার নেয়। টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে একটি বাসায় নিয়ে তারা দুই বোন ও আরও তিনজনসহ শারীরিক মানসিকভাবে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করে। তারা তার নগ্ন ভিডিও ধারণ করে। মূলত এ ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা মামলা নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করি। ঘটনার সত্যতাও পাই। তিনি বলেন, এই মডেলরা হানিট্র্যাপের মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে। আমরা ওই কর্মকর্তার কিছু টাকা উদ্ধার করেছি। এখন রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবো

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত