বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

রাজনীতিবিদ সমাজসেবক সাংবাদিক খাজ আহমেদ রাজনৈতিক হালচাল

আপডেট:

আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)

১৯৯৪ সালে জনকণ্ঠে নিয়মিত আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ৫৫ হাজার বর্গমাইল বইটি প্রকাশিত হয়েছিল। আমার বাবা মহররম ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম মজুমদার দুটি পত্রিকা রাখতেন। তখন বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত
দৈনিক জনকণ্ঠ সমাদৃত হয়েছিল। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশকে যেভাবে তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশের অনেক সাহিত্যিকদের মধ্যে আমি পাইনি। শিরোনামে যেটি আমি লিখেছি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক খাজ আহমেদ। তার রাজনীতিক জীবনে কিছুদিন আগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের দায়িত্বে থেকে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেছিলেন। এখন আসি তিনি কেমন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, রাজনীতিবীদ হিসেবে তিনি অত্যন্ত সফল ছিলেন। সত্যকারের ফেনীর রাজা হয়ে উঠেছিলেন ফেনীর জনগনের ভালোবাসায়।তার নামে ফেনীর কোন গুরুত্বপূর্ণ কিছু করা হয়নি। ফেনী সহ দেশের কথা চিন্তা করে জাতীয় সংসদে তুলে ধরতেন। মানুষের সাধারণ দৈনন্দিন জীবন যেমন ছিল তেমনি তার জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ৯০ এর গণআন্দোলনে আমরা রাজনীতিবিদদেরকে যেইভাবে দেখেছি তাদের থেকে মহরম খাজা আহমেদ ছিলেন সম্পূর্ণ বিপরীত। সাধারণ মানুষের মতো চলতেন। কুলি দিনমুজুর সবার সাথে কথা বলা ফেনীর জনসাধারণের দাবি দেওয়া জাতীয় সংসদে তুলে ধরতেন। লুঙ্গি এবং খাদি পাঞ্জাবি পরে ব্যতিক্রমধর্মী রাজনীতিবি নিজের সক্রিয়তা জানান দিয়েছিলেন। দৈনিক সকালের কন্ঠ তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত দান করেন। ৯০ দশকের পরে বাংলাদেশের রাজনীতি লুণ্ঠন চাঁদাবাজি নানা কারণে বিতর্কিত হতে থাকে। আবার আসলো ৯৬ তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আবারো আন্দোলন এবং সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আরোহন। তারপরের ঘটনা বলি বাংলাদেশের জনগণ জানেন। খাজা আহাম্মদ উত্তরসূরী হিসেবে মহরম জয়নাল আবদীন হাজারী তিন তিনবারের এমপি হয়ে ছিলেন। রাজনৈতিক দল রাজনীতি প্রতিপক্ষের সাথে সংঘর্ষ নানা কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়েন। তবে জয়নাল হাজারী কাছে সততা সত্য কথা বলার সাহস ছিল। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আরোহন দেশ পরিচালনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা না দিয়ে নানা টালবাহানার করনে এক ১১ সৃষ্টি হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আরোহ ১৬ টি বছর বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা মুক্তিযোদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর নাম বিক্রি করে ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি ঘটায়। গুম খুন, অন্য রাজনীতিক মতাদর্শদের কে নিপীড়ন মামলা হামলা মাধ্যমে গণতন্ত্রকে পদদলিত করে দেশের অর্থ সম্পদ লুণ্ঠন করে লুটেরা শ্রেণির সৃষ্টি করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই আন্দোলন ফ্যাসিবাদের পতন হয়। নতুন শক্তির আবির্ভাব স্বাধীনতাকে অস্বীকার করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।৷ এর জন্য দায়ী নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের। তাদের কাছে খাজা আমাদের কোন পূর্ববর্তী সৎ রাজনীতিবিদদের আর্দশ অনুসরণ না করে অমর্যাদা লুণ্ঠন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে নানা প্রক্রিয়া অবলম্বন করে। সৎ আদর্শবান রাজনীতিবিদদেরকে দমিয়ে আদর্শবিহীন লুটেরা সমাজ সৃষ্টি করে। মহরম খাজা আহমেদ সহ যত সৎ রাজনীতিবিদ ছিলেন তাদের রাজনৈতিক ও কর্মজীবন বিশ্লেষণ করে বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যে দল যে মতাদর্শের অধিকারী হোন না কেন তাদের রাজনৈতিক পথচলাকে অনুস্বরন করে ফেনীর মানুষের উন্নয়ন অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখুন। খাজা আহাম্মদ মতো রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সেমিনার ও কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত