রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬

বিদেশী ঋণ যা আসছে তা দেনা শোধেই চলে যাচ্ছে শিক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট:

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, ‘বিদেশ থেকে যে ঋণ পাওয়া যাচ্ছে, তার বড় অংশ আগের ঋণ শোধ করতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে।শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, ‘বিদেশ থেকে যে ঋণ পাওয়া যাচ্ছে, তার বড় অংশ আগের ঋণ শোধ করতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেও শিক্ষা খাতসহ অগ্রাধিকারের জায়গাগুলোয় উচ্চ প্রভাব ফেলতে পারে—এমন উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মোজাফফর আহমদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘২০২৪-২৫ বাজেট: শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে (ডায়ালগ) তিনি এ কথা বলেন।শিক্ষা খাতের সংস্কার নিয়ে রফিকুল আবরার বলেন, ‘সময় এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও দায়বদ্ধতার অভাব আর সঠিক পরিকল্পনার ঘাটতি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। অনেক ক্ষেত্রে যে কাজ করা যেত, তা করা যায়নি। এতে হতাশা তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, ‘নারীর কারিগরি শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে যে বৈষম্য বিদ্যমান, তা সমাধান করা যায়নি। সঠিক প্রশিক্ষণ দেয়া গেলে এবং স্টিগমা কমানো গেলে এ খাত থেকেও ভালো অংকের বৈদেশিক মুদ্রা আনা সম্ভব।’
শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, শুধু কমিশন গঠন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। তৃণমূল পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাংলায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিশ্বসেরা বইগুলোর অনুবাদ করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।শিক্ষা খাতের সংস্কারে নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং সুনির্দিষ্ট কার্যপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধুমাত্র আলোচনা নয়, সময়সীমা নির্দিষ্ট করে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া দরকার। এ চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’অনুষ্ঠানে ঢাবির সাবেক শিক্ষক ও রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ রাজ্জাক বলেন, ‘এখন দেশে প্রতি বছর ২০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রয়োজন। সে মাত্রায় বাংলাদেশ আট থেকে ১০ লাখ করতে পারে। এভাবে চললে একসময় বাংলাদেশ বৈশ্বিক মার্কেটে পিছিয়ে পড়বে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত