বিশেষ প্রতিনিধি।
দৈনিক সকালের কন্ঠ।
দুই দিনের টানা প্রবল বর্ষনে আবারও বন্যা আতঙ্কে মানুষ।গত দুই দিনের অবিরাম বর্ষনের ফলে মুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমা ছুঁই ছুঁই করছে।যে কোনা মুহুর্তেই বাঁঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বানভাসি হওয়ার শঙ্কায় শঙ্কিত মানুষ।আজ ফুলগাজী বাজার শ্রীপুর রোডের পশ্চিম মাথায় রেল লাইনের পঃ পাশে মুহুরী নদীর দক্ষিন পাশ্বস্থ পাড়ে হোসেন এর সাইকেল দোকান সহ তিনটি দোকান ঘর ধ্বসে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।এতে হোসেন এবং তার পাশের দোকানে রাখা একটি টমটম সহ প্রায় ০৫/০৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।ধ্বসে পড়ার সময় সেখানে উপস্থিত হয়ে তা রোধ করার প্রাণ পণ চেষ্টা চালিয়েছেন জুলাই যোদ্বাদের মাঝে আহতদের ফেনী জেলা প্রতিনিধি রাজীব আহমেদ রাজু সহ বেশ কয়েক জন স্বেচ্ছা সেবক।খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন ফুলগজী উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা,ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান।রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের মধ্যে থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সদস্য সচীব আবুল হোসেন ভূঁইয়া(সাবেক চেয়ারম্যান)ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন।সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসুল মজুমদার গোলাপ(সাবেক চেয়ারম্যান) আনন্দ পুর ইউনিয়ন।
যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইব্রাহিম। যুবদলের কপিল উদ্দীন পাটোয়ারী।বাজার কমিটির সভপতি শহীদ উল্লামজুমদার। সাধারন সম্পাদক,এবং উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির নির্বাহী সদস্য মাওলানা সাইফুল ইসলাম সাঈফ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।এর আগে গত জুন মাসে বালু দস্যুদের তান্ডবের ফলে সোহেল আজিম এর মালিকানাধীন তিনটি দোকান ঘর নদীগর্ভে ধ্বসে পড়ে।এলাকার সুশীল সমাজ এর লোক জনের মুখের কথা হলো পাঃউঃবোর্ড এর কর্মকর্তা কি করে নদীর বাঁকে যেখানে পানির প্রবল স্রোত থাকে সেই জায়গায় সাধারন মানুষকে লিজ দেয়।লিজ নিয়ে দখলকৃত দের মাঝে অধিকাংশই চাঁন মিয়া ‘স’ মিলের মালিকের দখলেই আছে অনেক গুলো স্থাপনা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,জেলা প্রশাসক ফেনী,পাঃউঃবোর্ড এর নির্বাহী প্রকৌশলী সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি অবৈধ ভাবে লিজ দেয়া এসব দখল দারদের উচ্ছেদ করে পানি প্রবাহে বাঁঁধা মুক্ত করা সহ পুরো মুহুরী নদীর যেখানেই অবৈধ দখল দার সেখানেই অভিযান পরিচালনা করে জনগনকে রাক্ষা করবে বলে ফুলগাজীবাসী আশা করে। তানা হলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম এলেই জনগনকে ভোগান্তির শিকার হতে হবে।আর নদী ও তার নাব্যতা হারিয়ে খালে পরিণত হবে এবং হচ্ছেও তাই।
বিশেষ প্রতিনিধি।
দৈনিক সকালের কন্ঠ।

