মঙ্গলবার, মার্চ ২৪, ২০২৬

আমাদের দেশে কুৎসিত রাজনীতি চর্চা হয় — রিজভী

আপডেট:

গতকাল সোমবার (১৮ আগস্ট) শিল্পকলা একাডেমিতে ‘সৃজনে স্মৃতিতে’ বাংলাদেশের মরহুম চারুশিল্পী ও ভাস্কর স্মরণে প্রবন্ধ পাঠ এবং আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘রাজনীতির যে স্বাভাবিক প্রতিকৃতি এবং এর যে সৌন্দর্য সেটার স্বাদ আমরা গ্রহণ করতে পারি না। প্রকৃত রাজনীতিবিদরা একজন শিল্পী। তার কথা বলা, কথা বলার ভঙ্গিমা মানুষকে আপন করে নেয়ার যে মিথস্ক্রিয়া সেটা জানা থাকলে মানুষ আরো মুগ্ধ হতো। যার ফলে আমরা জাতির কাছে রাজনীতির শিল্পী হিসেবে গড়ে উঠতে পারিনি। রাজনীতির যে শৈল্পিক মানদণ্ড আছে সেটার বদলে আমাদের দেশে কুৎসিত রাজনীতি চর্চা হয়।রিজভী বলেন, ‘আমাদের ভূখণ্ডে তো কম সৃষ্টি না কিন্তু আমরা সেগুলোর বিষয়ে খুব একটা তুলে ধরি না। আমাদের একটা উন্নতমানের শিল্প সাহিত্য পত্রিকা নেই। আমরা যতই বলি না কেন? যা হচ্ছে একেবারে তুলে ধরার মতো নয়। আকর্ষণ তৈরি করার যা কিছু করছি যা কিছু দেখছি, সব অন্যের কাছ থেকে ধার করা। কিন্তু আমাদের দেশে ওভাবে তৈরি হয়নি বা হচ্ছে না। বা আগে যতটুকু হয়েছিল এখন ততটুকু নেই। অর্থাৎ মানে বিষয়টা এমনই হচ্ছে যে তোমাদের কিছু নাই। তোমরা একটি বিশাল একটা বড় সংস্কৃতির একটা অংশ। এটা খুব ধীরে ধীরে ইনডকট্রিনেট (মগজ ধোলাই করা) করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ কারণে আমরা এতটাই পরনির্ভশীল হওয়া শুরু করেছি, যা কিছু ভালো পেইন্টিং, ভালো ভাস্কর্য, ভালো সিনেমা সবকিছুই আমাদেরকে তাকিয়ে থাকতে হয়, দেখতে হয়।তিনি বলেন, ‘অন্যের সৃষ্টি নিয়ে আমরা গল্প করি কিন্তু নিজেদের সৃষ্টি নিয়ে আমরা গল্প করি না বা নতুন করে আমরা সে সৃষ্টি করছিও না বা সে প্রচেষ্টাও আমাদের আছে আমি মনে করি না। এখন সেই সময় এসেছে, সেই সুযোগ এসেছে, আমাদেরকে এখন এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।রিজভী বলেন, ‘এ বিষয়গুলো সামনে আরো বেশি করে তুলে ধরতে হবে, যাতে আমাদের সীমানার মধ্যে আমরা যারা বসবাস করি, আমরা যেন গর্ব করতে পারি। আমাদের সন্তানরা তারা একেকজন এস এম সুলতান হয়ে উঠবে, তারা কবি নজরুল হয়ে উঠবে, তারা আল মাহমুদ হয়ে উঠবে, কবি শামসুর রহমান হয়ে উঠবে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত