সুদানের গৃহযুদ্ধ এখন মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছে। দেশটির উত্তর দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশার শহর আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) দখলে নেওয়ার পর থেকে চলছে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ। জাতিসংঘ জানিয়েছে, দুই বছরে নিহত হয়েছে দেড় লাখের বেশি মানুষ, আর বাস্তুচ্যুত হয়েছে এক কোটি ২০ লাখেরও বেশি।একসময় প্রাণচঞ্চল এল-ফাশার এখন পরিণত হয়েছে মৃত্যু উপত্যকায়। আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর বেসামরিক নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা, নারীদের ওপর যৌন সহিংসতা, ঘরবাড়ি ও আশ্রয়কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো নিত্যদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে। এমনকি হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী ক্যাম্পও রেহাই পাচ্ছে না। শুধু একটি হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর।মানবিক সহায়তার অভাবে সেখানে দ্রুত দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। চিকিৎসা সেবা, বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাবে শিশুমৃত্যু বেড়ে চলেছে উদ্বেগজনকভাবে।২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এই গৃহযুদ্ধে দারফুর অঞ্চলজুড়ে ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত, আর প্রতিবেশী চাদে আশ্রয় নিয়েছে। সুদানের গৃহযুদ্ধ এখন মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছে। দেশটির উত্তর দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশার শহর আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) দখলে নেওয়ার পর থেকে চলছে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ। জাতিসংঘ জানিয়েছে, দুই বছরে নিহত হয়েছে দেড় লাখের বেশি মানুষ, আর বাস্তুচ্যুত হয়েছে এক কোটি ২০ লাখেরও বেশী। একসময় প্রাণচঞ্চল এল-ফাশার এখন পরিণত হয়েছে মৃত্যু উপত্যকায়। আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর বেসামরিক নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা, নারীদের ওপর যৌন সহিংসতা, ঘরবাড়ি ও আশ্রয়কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো নিত্যদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে। এমনকি হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী ক্যাম্পও রেহাই পাচ্ছে না। শুধু একটি হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর।
মানবিক সহায়তার অভাবে সেখানে দ্রুত দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। চিকিৎসা সেবা, বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাবে শিশুমৃত্যু বেড়ে চলেছে উদ্বেগজনকভাবে।২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এই গৃহযুদ্ধে দারফুর অঞ্চলজুড়ে ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত, আর প্রতিবেশী চাদে আশ্রয় নিয়েছে আড়াই লাখ শরণার্থী।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পশ্চিমা বিশ্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশ বলছে, আরএসএফকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সহায়তা করছে আমিরাত। সুদানের সরকারি সেনাবাহিনীর অভিযোগও একই—আরএসএফকে সমর্থন ও ড্রোন হামলায় সহায়তা দিচ্ছে ইউএই।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি দাবি করেছে, তারা কেবল মানবিক সহায়তা দিচ্ছে, কোনো পক্ষকে সামরিকভাবে সমর্থন নয়।জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সুদান এখন বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটের কেন্দ্রস্থল, যেখানে সহায়তা না বাড়ালে লক্ষাধিক মানুষ অনাহারে মারা যেতে পারে।
সুদানের গৃহযুদ্ধ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছে আরব আমিরাতে ভুমিকা নিয়ে বিতর্ক
আপডেট:

