রোম সাম্রাজ্য থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে ইতালিয়রা অভিবাসী হয়ে আসছে। এর বিপরীত চিত্র রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার এই দেশটিতে খ্রিস্টপূর্বের আগের থেকে কথা ও বিভিন্ন কারণে এশিয়া মাইনর থেকে ইউরোপ থেকে ইতালীতে অভিবাসীরা ছিলো। – পেরুজার ইউনিভার্সিটি ফর ফরেইনার্সে অনুষ্ঠিত হলো অভিবাসন বিষয়ক নীতিনির্ধারণী সম্মেলন, যেখানে সরকারি প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও তরুণরা অংশ নেন। সম্মেলনে সমাজবিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, অভিবাসন কোনো সমস্যা নয় বরং একটি বাস্তব সত্য; ইন্টিগ্রেশন বা সামাজিক একীভূতকরণে ব্যর্থ হলে সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। পেরুজার মেয়র ভিক্টোরিয়া ফেরদিনান্দি ঘোষণা করেন, তার শহরে কেউ বিদেশী নয়; তিনি বহুত্ববাদকে গণতন্ত্রের আত্মা হিসেবে উল্লেখ করেন। সম্মেলনে নতুন নাগরিকত্ব আইনের (ডিএল ৩৬/২০২৫) তীব্র সমালোচনা করা হয়; বিশেষ করে নাগরিকত্ব পাওয়ার পরেও সন্তানদের জন্য ২ বছর অপেক্ষার নিয়মকে বৈষম্যমূলক বলা হয়েছে।ইতালির অর্থনীতিতে অভিবাসীদের অবদান তুলে ধরে জানানো হয়, বর্তমানে বিদেশি শ্রমিকরা ইতালির প্রায় ৬ লাখ পেনশনের জোগান দিচ্ছে। ‘CoNNGI’ এবং অন্যান্য সংগঠন অভিবাসীদের নিছক ‘সংখ্যা’ বা ‘ভয়ের কারণ’ হিসেবে না দেখে তাদের দেশের সম্পদ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবনাগুলো ইতালির সরকার এবং ইউরোপীয় কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।নাগরিকত্ব ও অধিকার নিয়ে পেরুজা থেকে ওঠা এই জোরালো দাবী ইতালির জাতীয় নীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারবে বলে অভিবাসীদের অনেক মনে করে।
তথ্যসুত্র : ইতালিনিউজ

