রোম ভ্রমণের জন্য নিজে প্রস্তুত করে নিতে পারেন। রোমে সকল দর্শনীয় স্থানে বাংলাদেশীদের সরব উপস্থিতি পাবেন। ভাষা না জানলেও আপনি সব দর্শনীয় স্থান সমুহে স্বল্প খরছে দেখে আসতে পারবেন। প্রতি রাতে থাকা ও সকালে নাস্তা সহ খরছ পড়বে ৭০০০ টাকা। ইতালির রাজধানী রোম এমন এক শহর, যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি, শিল্প আর খাবারের সৌন্দর্য একসঙ্গে মিশে আছে। সারা বছর পর্যটকে ভরপুর এই শহর ঘুরতে গেলে কিছু কৌশল জানা থাকলে ভ্রমণ হবে আরও আরামদায়ক এবং স্মরণীয়। সাম্প্রতিক একটি ভ্রমণ-গাইডে রোম ভ্রমণকারীদের জন্য ১২টি কার্যকর পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো আপনার ট্রিপকে আরও সহজ করবে।রোমের বিখ্যাত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে কলোসিয়াম, ভ্যাটিকান সিটি, সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা, ট্রেভি ফাউন্টেন, প্যানথিয়ন এবং ক্যাসেল সেন্ট’আঞ্জেলো। প্রতিটি স্থাপনার পেছনে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, তাই সময়কে সঠিকভাবে ভাগ করে ঘোরা খুব জরুরি। সকালে জনপ্রিয় স্থানগুলোতে গেলে ভিড় তুলনামূলক কম থাকে, ফলে ছবি তোলা বা ঘোরাঘরি আরও স্বচ্ছন্দ হয়।শহরের ভেতর চলাচলের জন্য মেট্রো, বাস বা ট্রাম সবার জন্যই সহজ উপায়। পর্যটকদের জন্য তৈরি বিশেষ ট্রাভেল পাস থাকলে কম খরচে পুরো শহর ঘোরা যায়। অনেক পর্যটক শুধুমাত্র বিখ্যাত রেস্টুরেন্ট খুঁজতে গিয়ে বেশি খরচ করে ফেলেন, কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা যে ছোট পরিবারের রান রেস্টুরেন্টে খান, সেখানেই পাওয়া যায় রোমের আসল খাবারের স্বাদ।ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘুরে দেখার জন্য আগে থেকেই অনলাইনে টিকিট বুক করলে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়ানো যায়। রোমে অনেক জাদুঘর ও গির্জা নির্দিষ্ট দিনে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেয়—যা বাজেট ভ্রমণকারীদের জন্য বাড়তি সুবিধা। এছাড়া শহরের অসংখ্য প্রাচীন রাস্তা, সেতু ও ফোয়ারা রাতের আলোয় আরও দারুণ লাগে, তাই সন্ধ্যার সময় রোম ঘোরা এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।সব মিলিয়ে রোম এমন একটি শহর, যেখানে প্রতিটি কোণেই গল্প লুকিয়ে আছে। সঠিক পরিকল্পনা আর কয়েকটি স্মার্ট টিপস মেনে চললে আপনার রোম ভ্রমণ হয়ে উঠবে সত্যিই স্মরণীয়।

