ইতালির প্রধানমন্ত্রী জাপন সফরে অনেক গুলো চুক্তি সাক্ষর করছে। তিনি সেখানে জাপানি ব্যবসায়ইদের ইতালিতে আরো বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি নলেন শিল্প, খনিজ বৈশ্বিক অগ্রগতি তরান্বিত করতে হলে জাপান ও ইতালি একযোগে কাজ করতে হবে। জাপানের সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।ইতালি ও জাপানের সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে, যেখানে প্রতিরক্ষা (GCAP প্রজেক্ট) ও প্রযুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার বিষয়ে মেলোনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ইস্যুটি ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই সমাধান করা উচিত।ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানালেও উত্তেজনা কমাতে (De-escalation) আলোচনার মাধ্যমে পারমাণবিক সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।টোকিওতে ১৭টি জাপানি বহুজাতিক কোম্পানির প্রধানদের সাথে বৈঠক করেছেন মেলোনি, যাদের সম্মিলিত বাণিজ্যের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।তিনি বলেন গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’-এ (Board of Peace) ইতালি নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত বলে নিশ্চিত করেছেন মেলোনি। শুধুমাত্র পশ্চিমা মিত্র নয়, ওমান, মধ্য এশিয়া এবং ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর সাথেও ইতালির কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রভাব বাড়াতে কাজ করছে সরকার। বৈশ্বিক অস্থিরতায় সাপ্লাই চেইন বা পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নিরাপদ রাখতে জাপানের সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক ‘ইকোনমিক সিকিউরিটি টেবিল’ গঠন করা হয়েছে।

