বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

তিউনিসিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়ার কে প্রশিক্ষণ ও ১৩০ মিলিয়ন অবৈধ অভিবাসীদের আগমন বন্ধ করা যাবেনা

আপডেট:

“ভু -মধ্য সাগর “উপকূলীয় সিমান্ত লাগোয়া দেশ তিউনিসিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়ার, আভুফ্রিকা সাব সাহারা মানব পাচারকারী অন্যতম রুট। প্রতি বছর অভিবাসীদের প্রাণহানি ও অবৈধ অভিবাসী গতিরোধ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির (BMP) আওতায় তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ডকে নতুন নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছে।অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা এবং মানবপাচার রোধে তিউনিসিয়াকে দেওয়া ইইউর মোট সহায়তার পরিমাণ এখন ১৩০ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। এই সহায়তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আলবেনিয়া ইতালির অভিবাসীদের পাঠানো ও ব্যায় নিয়ে বিরোধী দল সরকারের কঠোর সমালোচনা করছে। ব্রাসেলস দাবি করেছে, এই সহযোগিতার ফলে ২০২৪ সাল থেকে অনিয়মিত সাগর পাড়ি এবং সাগরে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
– ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ডের উদ্ধার ক্ষমতা ও সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে ২০২৮ সালের মধ্যে তিউনিসিয়ার উপকূলে উন্নত প্রযুক্তির ‘রাডার নজরদারি ব্যবস্থা’ বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করা হবে।এখন পর্যন্ত ২১ মিলিয়ন ইউরোর আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি ৫৫০ জন অফিসার ও ক্যাডারকে ৬০টিরও বেশি সেশনে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইইউর এই ‘সীমান্ত নীতি আউটসোর্সিং’ বা টাকার বিনিময়ে তিউনিসিয়াকে দিয়ে অভিবাসী আটকানোর কৌশলের সমালোচনা করে আসছে। নিরাপদ অভিবাসন পথ তৈরি করে প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা, লোকবলের ঘাটতি মোকাবিলা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমন্বয় করে এই অনিরাপদ অভিবাসন ঠেকানো যাবে বলে অনেক ইউরোপীয় শিল্পপতি ও রেস্টুরেন্টে পরিচালকেরা মনে করে। অফ্রিকায় যুদ্ধ ও গনতন্ত্র পরিবেশ অভাব বহুল অংশে দায়ী। যুদ্ধে সাথে মানব পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। বিষয়টি ইউরোপীয় পার্লামেন্ট উন্মুক্ত আলোচনা করতে পারে বলে ইউরোপীয় অনেক নাগরিক মনে করে। দৈনিক সকালের কন্ঠ অনলাইন অবৈধ অভিবাসী ও মানব পাচারকারী এই হীন অপরাধের বিরোধী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত